বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গাইবান্ধায় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেঃ চলতি মৌসুমে ১ লাখ ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হবে রোপা আমন দোকান কর্মচারী ও ইলেকট্রিশিয়ানদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান অক্সিজেন কনসেনট্রেটর দিল ঢাকাস্থ গাইবান্ধা সমিতি গাইবান্ধায় বিজিবি-সেনা-পুলিশ সদস্যদের টহলঃ কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিনে রাস্তায় মানুষের চলাচল বৃদ্ধি গাইবান্ধায় করোনায় শনাক্ত ৬২ গাইবান্ধায় হাসান হত্যার প্রতিবাদ মঞ্চের সভা সাঘাটায় নবাগত ইউএনওর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্রের ব্যাপক ভাঙনঃ নদীগর্ভে ৫৫টি পরিবারের বসতবাড়ি ফসলী জমি গাইবান্ধায় ২৫টি মামলায় ২২ হাজার ৭শ’ টাকা জরিমানা কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে রাস্তায় লোক চলাচলঃ কারো মুখে মাস্ক নেই গাইবান্ধায় করোনায় নতুন শনাক্ত ৬৯

৩ বছর ধরে চিকিৎসক নেই দারিয়াপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে

৩ বছর ধরে চিকিৎসক নেই দারিয়াপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে

দারিয়াপুর প্রতিনিধিঃ ৩ বছর ধরে চিকিৎসক নেই দারিয়াপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। তাই প্রতিনিয়ত চিকিৎসা নিতে আসা মানুষদের চিকিৎসা দিচ্ছেন ডাক্তারের বদলে ফার্মাসিস্ট মোঃ রেজাউল কবীর। ফলে উপযুক্ত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন এলাকার প্রায় ৫০ হাজার মানুষ।
গত ৩ বছর ধরে এভাবেই চলছে গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুরের একমাত্র উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। তাই এখানকার মানুষের একমাত্র ভরসা ফার্মাসিস্ট।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন খোলাহাটী, ঘাগোয়া, মালিবাড়ী ও গিদারী ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। এলাকাবাসী মনে করেন, সরকার দ্রুত চিকিৎসক সংকট দুর করে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করবেন এমনটাই প্রত্যাশা তাদের।
জানা গেছে, দারিয়াপুর উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মেডিকেল অফিসার ডাঃ জান্নাতুল ফেরদৌসী ২০১৭ সালের জুন মাসে চলে যাওয়ার পর থেকে ওই পদটি আজ অবধি শূণ্য পড়ে রয়েছে। এরপর উপ-সহকারি কমিনিটি মেডিকেল অফিসার দিয়ে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হতো। সর্বশেষ তিনিও ২০১৯ সালের ৩০ মে অবসর নিয়ে চলে যাওয়ায় বর্তমানে উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিতে ১জন ফার্মাসিস্ট ও ১জন এমএলএস দায়িত্ব পালন করছেন।
গতকাল সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রোগীদের দীর্ঘ লাইন। আর এসব রোগীদের এক এক করে চিকিৎসা দিচ্ছেন ফার্মাসিস্ট মোঃ রেজাউল কবীর। আর তাকে সহযোগীতা করছেন এমএলএস জমিলা বেগম।
নানাবিধ জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে এই উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রে গড়ে প্রতিদিন ১০০/১৫০ জন শিশু, নারী-পুরুষ চিকিৎসা সেবা নিতে আসেন। কিন্তু এখানে কোন মেডিকেল অফিসার না থাকায় তারা সঠিক চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন বলে মনে করেন স্থানীয় বাসিন্দা স্কুল শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com