বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন

সুন্দরগঞ্জ নড়বড়ে বাশের সাঁকোতে ঝুকি নিয়ে পারাপার

সুন্দরগঞ্জ নড়বড়ে বাশের সাঁকোতে ঝুকি নিয়ে পারাপার

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুন্দরগঞ্জের চর অঞ্চলের মানুষের এসব কাঠের সাঁকো যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়তে হয় প্রতিনিয়ত, বিশেষ করে তারাপুর, হরিপুর, কাপাসিয়া ও বেলকা ইউনিয়নের চৌধুরীর ঘাট, ধুমাইটারী মাদ্রাসার সামনে রাস্তা উপর কাঠের সাঁকো ও মহিষ বান্দী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন কাঠের সাঁকোসহ প্রায় ১৫, সাঁকো দিয়ে জীবনের ঝুকি নিয়ে পারাপার হচ্ছে ওই এলাকার শতশত মানুষ। জরাজীর্ন কাঠের সাঁকো গুলো সংস্থার নাকরায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে, যে কোন মূহুর্তে চলাচলে বড়ো ধরনের দূর- ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান ভুক্ত ভোগীরা। স্থানীয়রা জানান, বর্ষাকালে ভোগান্তিতে পড়তে হয় বৃদ্ধ বয়স্ক ও গর্ভবতী মায়েদের, সময়মতো যোগাযোগ করতে না পারায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পরেন অনেকে। স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া ছেলে মেয়েদের এসব জরাজীর্ণ সাঁকো দিয়ে পারাপার হতে পড়তে হয় বিরম্ভনায়। বিশেষ করে কৃষি উৎপাদন এসব অঞ্চলের মানুষেরা একমাত্র কৃষি নির্ভরশীল, তাদের আয়ের উৎস কৃষি থেকেই, তাদের উৎপাদিত শাক, সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে শহরের মানুষের নিত্ত নৈমিত্তিক চাহিদার জোগান দেয়। যোগাযোগ ব্যাবস্থা সহজ না হওয়ায় তাদের উৎপাদিত ফসল বাজার জাত করতে হিমশিম খেতে হয়, ইউপি চেয়ারম্যান ইব্রাহিম খলিলুল্লাহ বলেন, তার এলাকায় ছোট খাটো প্রায় ৮ টিকাঠের সাঁকো রয়েছে, এসব জরাজীর্ণ সাঁকো সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উপজেলা এল জি ডি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল মান্নাফ সাথে মুঠো ফোনে কথা হলে তিনি বলেন, আমি শুনেছি ওই জায়গা গুলো গিয়ে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান, চরের মানুষের চলাচল ও যোগাযোগ সহজ করতে খুব শিগগিরই প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com