মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪, ০২:১৫ পূর্বাহ্ন

সুন্দরগঞ্জে হুমকির মুখে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ

সুন্দরগঞ্জে হুমকির মুখে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাধ

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুন্দরগঞ্জ-কামারজানি বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটির শতাধিক স্থানে বৃষ্টির তোড়ে ধসে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্ঠি হওয়ায় হুমকির সন্মুখিন হয়ে দাড়িয়েছে। আসন্ন বন্যার সময় বাঁধটির যে কোন স্থানে ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমানে বাঁধটি পাঁচপীর-চিলমারি তিস্তা পিসি গার্ডার সেতুর সংযোগ সড়ক হিসেবে নতুন ভাবে মাটি ভরাটের কাজ প্রায় সম্পন্ন হয়েছে। তবে মাটি ভরাটের ক্ষেত্রে মানা হয়নি সরকারি বিধি। বাঁধ সংলগ্ন স্থান হতে ভেকু দিয়ে মাটি উত্তোন করে বাঁধটি মোরামত করা হয়েছে। অবিরাম বর্ষনের কারনে বৃষ্টির তোড়ে বাঁধটি বিভিন্ন স্থানে অসংখ্য খানাখন্দে ভরে গেছে। পাশাপাশি শতাধিক স্থানে ধসে গিয়ে ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বাঁধটি উপজেলার ডানতীর কামারজানি স্লুইচ গেট হতে উপজেলা পরিষদ ভায়া বামতীর তারাপুরের ঘঘেয়া পর্যন্ত প্রায় ৩৫ কিলোমিটার। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কোন প্রকার মেরামত, সংস্কার করা হয়নি। ইদানিং তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়ক হিসেবে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দুরত্ব পর্যন্ত মাটি ভরাট করেছে। উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে পূর্বাঞ্চলের ৭টি ইউনিয়নবাসি ওই বাঁধটির উপর দিয়ে প্রতিদিন চলাফেরা করে। বাঁধটির উপর দিয়ে ছোট বড় হাজারও যানবাহ যাওয়া আসা করে প্রতিনিয়ত। বেলকা বাজারের ব্যবসায়ী আব্দুর রাজ্জাক মিয়া জানান, বৃষ্টি বাদলের সময় বাঁধটির উপর দিয়ে চলাচল করা অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে পড়ে। অসংখ্য খানাখন্দে এবং বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় যানবাহন চলাচল করতে খুব কষ্ট হয়। বাঁধ সংলগ্ন স্থান হতে ভেকু দিয়ে গভীর করে মাটি তুলে নেয়ায় বৃষ্টি আসা মাত্রই বাঁধের মাটি ধসে গিয়ে গর্ত ভরে যাচ্ছে । হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাফিউল ইসলাম জিমি জানান, বাঁধটিতে সঠিক ভাবে মাটি ভরাট না করায় বৃষ্টি আসলেই গর্তের সৃষ্টি হচ্ছে। সে কারনে জনসাধারনসহ যানবাহন চলাচল মারাত্বভাবে বিঘিœত হচ্ছে। বাঁধটির বেশ কিছু স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বন্যার সময় বাঁধটি ভেঙে গেলে উপজেরার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা প্লাবিত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। তার আগেই মেরামত করা একান্ত প্রয়োজন। তিস্তা সেতু নির্মাণ কাজের দায়িত্বে নিয়োজিত উপসহকারি প্রকৌশলী ও নকশাকার ময়নুল ইসলাম জানান, মাটি ভরাটের কাজ প্রায় শেষের দিকে। নিদিষ্ট দুরত্বের মধ্যে হতে মাটি উত্তোলন করে মেরামত করা হয়েছে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, বিষয়টির তাঁর জানা ছিল না । তদন্ত সাপেক্ষে আশু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com