শনিবার, ২০ জুলাই ২০২৪, ০৯:৫৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
খোর্দ্দকোমরপুর ইউপির উপনির্বাচন স্থগিত কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিঃ গাইবান্ধায় আ’লীগ-বিএনপির অফিসে-হামলা-অগ্নিসংযোগ সুন্দরগঞ্জে কোটা নিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজ যুবকের লাশ একদিন পর উদ্ধার গোবিন্দগঞ্জে ২ মাহিলা ছিনতাইকারী গ্রেফতার মহিমাগঞ্জে প্রধান গ্রুপের সার্ভার স্টেশনে অগ্নিকান্ডে ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি পলাশবাড়ীতে মোটরসাইকেল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ঃ আহত ১ জন গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালেয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ তিস্তার পানি কমার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে পলাশবাড়ীতে মটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত

সুন্দরগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

সুন্দরগঞ্জে জমে উঠেছে ঈদের কেনাকাটা

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ ঈদ কেনাকাটায় জমে উঠেছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার শপিংমলগুলো। গভীর রাত পর্যন্ত দোকানপাটে ক্রেতাদের উফছে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। করোনার ধকল কেটে উঠার পর ব্যবসায়ীরা যেন নতুন প্রাণ ফিরে ফেয়েছে। বিশেষ করে রেডিমেট কাপড়ের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিরে পা ফেলার জায়গা নেই। সকাল ৯টা হতে রাত ১২ পর্যন্ত চলছে ঈদ কেনাকাটা। মার্কেটে পুরুষ ক্রেতার চেয়ে নারী ক্রেতার সংখ্যা তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌরশহরসহ উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের দোকানগুলোতেও জমে উঠেছে ঈদ কেনাকাটা। গত দুবছরের তুলনায় প্রতিটি পণ্যের দাম দ্বিগুন হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে প্রতিটি পাঞ্জাবি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ হতে ৫ হাজার টাকায়, প্যান্ট ৪৫০ হতে ৩ হাজার ২০০ টাকা, শার্ট ৬০০ হতে ২ হাজার ৮ টাকা, শাড়ী ৮০০ হতে ৫ হাজার ৬০০ টাকা, থ্রি পিচ ৬৫০ হতে ১ হাজার ৮০০ টাকা, মেয়েদের রেডিমেট জামা ৮০০ হতে ৬ হাজার টাকা, বোরকা ১ হাজার ৩০০ হতে ৪ হাজার ৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কাপড়ের পাশাপাশি জুতা, কসমেটিক, টুপির দোকানেও ক্রেতাদের ভির চোখে পড়ার মত। এদিকে ফুটপাতের দোকানগুলোতে নিম্ন আয়ের পরিবারের সদস্যদের কেনাকাটা করতে দেখা গেছে। সবমিলে গত দুবছর পর ঈদ কেনাকাটা সরগরম হয়ে উঠেছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সমুহ। প্রশাসনের নজরদারী কম থাকায় ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাগণ নিরাপত্তাহীনতার অভাব মনে করছে। সে কারণে যানজোট নিরসন ও নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য পুলিশি টহল জোরদারের দাবি ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের।
ক্রেতা আল তাহসিন জানান, গত দু’বছর করোনার কারণে পরিবার পরিজনের ঈদ কোনাকাটা করতে পারি নাই। সে কারণে এ বছর আগাম কেনাকাটা করার জন্য মার্কেটে এসেছি। ছেলে-মেয়েসহ পরিবারের সকলের রেডিমেট কাপড় , জুতা ও কসমেটিক কিনেছি। তবে দাম গত দুবছরের তুলনায় অনেক বেশি। প্রতিটি জামা কাপড়ে দাম ২০০ হতে ৪০০ টাকা বেশি হয়েছে। তিনি বলেন, মার্কেটগুলোতে যথেষ্ট ভির এবং সড়কে যানজোট অনেক বেশি। কিন্তু পুলিশি কোন টহল চোখে পরেনি।
বৈশাখী ফ্যাশনের স্বাত্ত্বাধিকারী লাভলু মিয়া জানান, পহেলা রমজান হতে খুব ভাল বিক্রি হচ্ছে। গত দুবছর ঈদে কোন কেনাকাটা হয়নি। সে কারণে ক্রেতাগণ এ বছর পুরোদমে কেনাকাটা করছে। মার্কেটে কাপড়ের দাম অনেক বেশি হলেও ক্রেতাগণ ছেলেমেয়েসহ পরিবারের সকল সদস্যদের জন্য কাপড় কিনছে। সকাল ৯টা হতে রাত ১২টা পর্যন্ত কেনাকাটা চলছে। তবে পুলিশি টহল আরও বাড়াতে হবে, যাতে করে ক্রেতা এবং ব্যবসায়ীগণ যেন কোন ক্ষতির শিকার না হয়।
ওসি সরকার ইফতেখার মোকাদ্দেম জানান, পুলিশি টহল অব্যাহত রয়েছে। টহল আরও জোরদার করা হবে। তিনি দোকান মালিক সমিতির নেতাদের পাহারা জোরদারসহ সিসি ক্যামেরা বাড়ানোর পরার্মশ প্রদান করেন।
উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, ব্যবসায়ী এবং ক্রেতাদের ঈদ কেনাকাটায় যাতে করে কোন প্রকার সমস্যা না হয়, সে ব্যাপারে দ্রুত সে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

 

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com