মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৪৩ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সাদুল্লাপুরে ঝুকি নিয়ে নৌকা ও বাঁশের সাঁকোয় নদী পারাপার গাইবান্ধায় যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন গোবিন্দগঞ্জ রংপুর ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন সাঘাটায় ২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ এক মাদক কারবারি আটক গাইবান্ধায় জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতির মিলনমেলা রোগ পরীক্ষা নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে হেলথ প্লাস ডায়াগনস্টিক সেন্টার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ২ শিক্ষক আটক সুন্দরগঞ্জে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা প্রেমিকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযানঃ গ্রেফতার ৩ পলাশবাড়ীতে মাদকসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার

সাদুল্লাপুরে অবৈধ ট্রাক্টরে ভোটের সরঞ্জামাদি পরিবহন

সাদুল্লাপুরে অবৈধ ট্রাক্টরে ভোটের সরঞ্জামাদি পরিবহন

স্টাফ রিপোর্টারঃ অবৈধ যান হিসেবে পরিচিত ট্রাক্টরকে অঞ্চলভেদে কাঁকড়া এবং দানব নামেই চেনে সবাই। এ বাহনের নেই রেজিস্ট্রেশন। প্রশিক্ষণ ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়াই স্টিয়ারিং ধরেন চালকরা। এ বাহনের ভারী চাকায় কার্পেটিং উঠে সড়কে গর্তের সৃষ্টি হয়। এতে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। তাই একে অবৈধ বলছে প্রশাসন। কিন্তু অবৈধ বাহনটিই নির্বাচনের সময় বৈধতা পায় প্রশাসনের কাছে।
গত রোববার জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন এর আগের দিন সাদুল্লাপুর উপজেলায় দাপিয়ে বেড়িয়েছে অবৈধ ট্রাক্টর। ৮০ থেকে ৯০টি ট্রাক্টরে ৬৮টি ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনী সামগ্রী বহন করা হয়েছে। খোলা এসব বাহনে অস্ত্র ও সরঞ্জাম আনা-নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক আনসার সদস্য। তিনি বলেন, ২০১৪ সালে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ভোটকেন্দ্রের সরঞ্জাম পরিবহনের সময় দিনের বেলাতেই আমাদের ট্রাক্টর থেকে নামিয়ে প্রকাশ্যে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা।
কয়েকজন চালক জানান, উপজেলা পরিষদ থেকে ট্রাক্টরে মালপত্র নিয়ে ভোটকেন্দ্রে পৌঁছে দিয়েছেন তারা। ভোট শেষে আবার সেগুলো যথাস্থানে পৌঁছে দেন। সঙ্গে ছিল পুলিশ ও আনসার সদস্যরা। এ কাজের জন্য তারা পারিশ্রমিক পাননি। শুধু তেলের টাকা দেওয়া হয়েছে।
তারা আরও বলেন, প্রশাসনের কাজে যখন প্রয়োজন পড়ে, তখন এসব বাহন বৈধ হয়ে যায়। রাস্তায় নামলেও কেউ বাধা দেয় না। কাজ ফুরালেই আবার অবৈধ হয়ে যায় ট্রাক্টর।
নাজমুল হোসেন নামে এক চালক জানান, গোটা বছরই তাদের ভীতির মধ্যে রাখা হয়। প্রয়োজনে গভীর রাতে ট্রাক্টর চালান তারা। কখনও প্রশাসনকে ম্যানেজ করে আবার কখনও ফাঁকি দিয়ে এ বাহন চালাতে হয়। কিন্তু ভোটের সময় তাদের কদর বাড়ে। তখন আর ট্রাক্টরকে অবৈধ বাহন বলা হয় না।
নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহনে সরকারিভাবে নিরাপদ গাড়ির ব্যবস্থা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন সাদুল্লাপুরে ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকারী একজন কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই কর্মকর্তা বলেন, ট্রাক্টরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া কষ্টকর এবং ঝুঁকিপূর্ণ। এসব বাহনে দুর্ঘটনা বেশি ঘটে।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কেএম আজমিরুজ্জামান বলেন, রিকুইজিশন করা গাড়ির সংখ্যা কম। সহজলভ্য হওয়ায় বাধ্য হয়েই নির্বাচনী মালপত্র বহনে ট্রাক্টর বেছে নেওয়া হয়।
একই কথা বলেন সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাওছার হাবিব। তাঁর ভাষ্য, কেন্দ্রে যথাসময়ে নির্বাচনী সামগ্রী পৌঁছানোর জন্য ট্রাক্টর ব্যবহার করা হয়েছে। এ সময় চালক ও সঙ্গে থাকা আনসার সদ্যস্যদের সতর্ক থাকতে বলা হয় জানান এ কর্মকর্তা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com