বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০২:৩৯ পূর্বাহ্ন

সাদুল্লাপুরে অদ্ভূত আকৃতির সন্তানের জন্ম দিলো প্রসূতি মা

সাদুল্লাপুরে অদ্ভূত আকৃতির সন্তানের জন্ম দিলো প্রসূতি মা

সাদুল্লাপুর প্রতিনিধিঃ এক দিনমজুর পরিবারের গৃহবধূ শাকিরন বেগম (৩০)। হঠাৎ ওঠে তার প্রসব বেদনা। নেওয়া হয় একটি ক্লিনিকে। সেখানে সিজারিয়েশনের আগেই জন্ম নেয় অদ্ভূত আকৃতির একটি ছেলে শিশু। এ সন্তানটি এক নজর দেখার জন্য ভির করছে উৎসুক নর-নারী।
গত সোমবার দুপুরে গাইবান্ধা ক্লিনিকে এই সন্তানের জন্ম দেন শাকিরন বেগম। তার বাড়ি সাদুল্লাপুর উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের তরফবাজিত (মাজার সংলগ্ন) গ্রামে। এ গ্রামের রেজাউল ইসলামের স্ত্রী শাকিরন বেগম।
স্বজনরা জানায়, গত সোমবার দুপুরের দিকে প্রসব বেদন ওঠে শাকিরনের। মুহূর্তে নেয়া হয় গাইবান্ধা ক্লিনিকে। এখানকার চিকিৎসকের পরামর্শে স্থানীয় মেডিপ্যাথ ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও খন্দকার এক্স-রে ক্লিনিকে রিপোর্ট করা হয়। এরপর অপারশেন থিয়েটারে সিজারেশনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়। এরই মধ্যে স্বাভাবিকভাবে ভূমিষ্ট হয় অদ্ভূদ আকৃতির একটি ছেলে শিশু। এরপর এই নবজাতককে ও প্রসূতিকে বিকেলের দিকে বাড়িতে নিয়ে আসে স্বজনরা। এই খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে শত শত উৎসুক মানুষ অদ্ভূত ওই শিশুকে এক নজর দেখার জন্য ভিড় করে।
স্থানীয়রা জানান, শিশুটির মাথাটি অত্যান্ত ছোট। যেনো মগজ বিহীন মাথার বাহিরে বিশালা টিউমারাকৃতির নরম একটি অংশ দেখা যাচ্ছে। জন্মের পর থেকে নবজাতকটি হাত-পা নড়াচড়া করছে। প্রসূতি মা শাকিরন বেগম সুস্থ রয়েছে।
ওই শিশুর বাবা রেজাউল ইসলাম বলেন, আমরা গরীব মানুষ। জীবিকার তাগিদে অন্যের বাড়িতে শ্রম দিয়ে খাই। এখন ভূমিষ্ট এই সন্তানকে বাঁচাতে অনেক টাকার প্রয়োজন। কিন্তু এতো টাকা যোগার করার কোনোই উপায় নেই।
এ বিষয়ে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার-পরিকল্পনা কর্মকর্তা শাহিনুল আলম ম-ল বলেন, কনজিন্টেল এ্যানোমেরীর কারনে এমন সন্তাান জন্ম হয়। তবে গর্ভাবস্থায় স্কেনিং পরীক্ষা করে চিকিৎসাসেবা নিলে এমনটি নাও হতো।

 

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com