শনিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৭:১৬ অপরাহ্ন
সাঘাটা প্রতিনিধিঃ উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢল ও গত কয়েক দিনের প্রবল বর্ষণে সাঘাটা উপজেলার যমুনা নদীর তীরবর্তী জুমারবাড়ী ইউনিয়ন, সাঘাটা ইউনিয়ন, ঘুড়িদহ ইউনিয়ন, ভরতখালী ইউনিয়ন ও হলদিয়া ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। হুমকীর সম্মুখীন হয়ে পড়েছে হলদিয়া ইউনিয়নের গোবিন্দপুর ও নলছিয়া মৌজার সংযোগ সড়কটি। জুমারবাড়ী ইউনিয়নের খেয়ারঘাট থেকে বেঙ্গারপাড়া সরঃ প্রাথঃ বিদ্যালয় পর্যন্ত রাস্তা হুমকীর সম্মুখীন।
গত শনিবার সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বন্যা কবলিত এসব এলাকা পরিদর্শন করেন। এ সময় উপজেলা প্রকৌশলী ছাবিউল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মিঠুন কুন্ডু তাঁর সাথে ছিলেন।
বন্যা কবলিত এলাকায় পাট, আমন বীজতলা, পটল, শাক-সবজি, বর্ষালী রোপা আমন ক্ষেত সহ শত শত একর জমির ফসল পানিতে নিমজ্জ্বিত হয়েছে। পানিবন্ধী পরিবারেরা গরু, ছাগল, হাঁস-মুরগী নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন। বিশুদ্ধ পানি ও গো-খাদ্যের সংকট দেখা দিয়েছে। পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ দিঘলকান্দি ও পাতিলবাড়ী মৌজার প্রায় ২শ’ পরিবারের ঘরবাড়ী নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গনের শিকার এসব পরিবার অন্যত্র গিয়ে আশ্রয় নিচ্ছে।
হলদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী প্রধান জানান, আমার ইউনিয়নের সকল মানুষই পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এ পর্যন্ত পানিবন্ধী পরিবারের জন্য সরকারী ভাবে কোন ত্রাণ সহায়তা পাওয়া যায় নি।
জুমারবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রোস্তম আলী আকন্দ জানান, আমার ইউনিয়নের ব্যাঙ্গারপাড়া, থৈকড়েরপাড়া, কাঠুর, পূর্ব আমদিরপাড়া, কুন্দপাড়া গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব পানিবন্দী মানুষের জন্য সরকারী ভাবে কোন আর্থিক সাহায্য পাওয়া যায় নি।