শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ দূর্দশা লাঘবের জন্য চর উন্নয়ন বোর্ড করা দরকার -ডেপুটি স্পীকার প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণঃ ধর্ষক গ্রেফতার হেড ফোন কানেঃ ট্রেনের ধাক্কায় প্রান গেলে যুবকের দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়ে আনন্দিত ভিক্ষুক শুকুর আলী ধাপেরহাটে র‌্যাব ও ভোক্তা অধিকারের যৌথ অভিযান ৪ আলু ব্যাবসায়ীর ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধাপেরহাটে ১০ দিনে ৭টি বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুঃসাহসিক চুরি গাইবান্ধায় তিনদিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সমাপ্ত ধর্ষণ মামলার আসামী মুক্তি পেয়ে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি শহরের ডিবি রোড চলাচলের অযোগ্যঃ পথচারীদের দুর্ভোগ কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষকদের মানববন্ধন স্মারকলিপি প্রদান

সাঘাটায় নদীর বুকচিরে সবুজের সমারোহে হারাতে বসেছে আলাই-বাঙালির স্বকীয়তা

সাঘাটায় নদীর বুকচিরে সবুজের সমারোহে হারাতে বসেছে আলাই-বাঙালির স্বকীয়তা

সাঘাটা প্রতিনিধিঃ সাঘাটা ও পাশের তিন উপজেলার বুক চিরে বয়ে গেছে আলাই-বাঙালি নদী। এক সময়ের খরস্রোতা এই আলাই নদী এখন খাল। বছরের প্রায় অধিকাংশ সময়ই পানি থাকতো। নৌ চলাচল ছিলো অবাধ। জেলা উপজেলার অধিকাংশ মানুষের ব্যবসা-বানিজ্ব্য ও যাতায়াতে চিরচেনা নদীর দুই কুলে ছিলো প্রাণোচ্ছাস। এখন আর সেই দিন নেই। কালের পরিক্রমায় সেই নদী আপন স¦কীয়তা হারিয়ে এখন ঝতু ভিত্তিক ফসলের মাঠে পরিনত হয়েছে।
জেলার তিস্তামুখ নদী অববাহিকা থেকে বাদিয়াখালীর উপর দিয়ে পদুমশহর, ভুতমারা, দুর্গাপুর, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তেতুলতলি, এলাসেরঘাট, কাটাখালী, মহিমাগঞ্জ, বাঙাবাড়ী, জালালতাইর, চন্দনপাট, ওসমানেরপাড়া, কামালেরপাড়া সহ আলাই-বাঙালীর তীরবর্তি এলাকায় প্রায় হারিয়ে যেতে বসেছে নদীর আকার। জৌলুস হারিয়ে কোন কোন স্থানে মরা খালে পরিনত হয়েছে। এখন চৈত্র মাস পরার আগেই নদী হয়ে যায় পানি শুন্য। যে নদী থেকে পানি তুলে চার পাশের জমিতে চাষাবাদ হতো, সেখানে পড়ে আছে ধু ধু বালির স্তর। নদীর তলদেশে সামান্ন পানি থাকলেও তার বুক চিরে ফসলের চাষে তা ঢেকে পড়েছে। নদীর সামান্ন এলাকায় এখন পানি থাকে। গভীরতা বলতে আর কিছু নেই। নদীর বেশির ভাগেই এখন চর পড়ে সমতল ভুমির ন্যায় হয়েছে। এসব এলাকায় এখন সবুজ ফসলের সমারোহ। বোরো ধান, মিষ্টি আলু, বাদাম, আখ, ভুট্টা, বিভিন্ন জাতের ডাল, মরিচ ও শাক-সবজি চাষ হচ্ছে নদীর অববাহিকায়। কোথাও নদীর তলদেশ থেকে শুরু করে উপর পর্যন্ত মাঠের ন্যায় পরিনত হয়েছে। সবুজ ফসলের সমারোহ দেখে মনেই হবেনা এটি একটি নদী। এভাবেই আলাই-বাঙালি নদী যেন হারাতে বসেছে তার আপন স্বকীয়তা। নদীপাড় এলাকা দলদলিয়া গ্রামের কৃষক সুশান্ত চন্দ্র জানান, আস্তে আস্তে ভরাট হয়ে যাওয়ায় এখন চাষাবাদ হচ্ছে নদীর বুক চিরে। দুর থেকে দেখলে এখন আর নদী মনে হয় না বলেও জানান তিনি। ২০ বছর আগেও সব সময় নদীতে পানি থাকতো। নদীর গভীরতা কমে আসায় এ অবস্থা বলে জানালেন, কচুয়া এলাকার কৃষক আব্দুস সামাদ। এ ব্যাপারে কথা হলে কচুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান জানান, নদীর গভীরতা বাড়াতে আগামীতে সরকারী ভাবে চেষ্টা করা হবে।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com