সোমবার, ২৯ মে ২০২৩, ০১:০২ পূর্বাহ্ন
স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধা শহরের প্রধান ও ব্যস্ততম সড়ক ‘ডাক বাংলা রোড’। অল্প বৃষ্টি হলেই সড়কের দুই পাশে পানি জমে যায়। সড়কের দুই কিলোমিটার অংশ বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে পুরানবাজার পর্যন্ত খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।
গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ বিভাগ জানায়, সম্প্রতি ডাকবাংলা রোডের পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পুরাতন বাজার পর্যন্ত আড়াই কিলোমিটার অংশ চার লেনে উন্নীত করতে প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১১৬ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে গাইবান্ধা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পর্যন্ত কিছু অংশ চার লেনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যদিকে বাস টার্মিনাল থেকে পুরাতন বাজার পর্যন্ত শহরের প্রধান অংশের কাজ এখনো শুরু হয়নি।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, সড়কটি দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ও কার্পেটিং না করায় বর্ষা মৌসুমে দুই কিলোমিটার রাস্তার বিভিন্ন অংশে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বাস টার্মিনালে সোনালী ব্যাংকের সামনে, পলাশপাড়া মোড়, ফকিরপাড়া মোড়, ফকিরপাড়া মসজিদের সামনে, সাদুল্লাপুর রোড মোড়, আসাদুজ্জামান মার্কেটের সামনে, পৌরপার্কের সামনে, কাচারী বাজার, পুরাতন জেলখানার সামনে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ফলে প্রায় প্রতিদিনই রিকশা, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। পথচারীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
শহরের কুঠিপাড়া এলাকার বাসিন্দা আব্দুল জব্বার সরকার বলেন, ডিবি রোডের ২ কিলোমিটার অংশ খানাখন্দে ভরা। চলাচল করা যায় না। অসহনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রিকশাচালক আজমল হোসেন বলেন, এই রাস্তা দিয়ে রিকশা চালাতে অনেক কষ্ট হয়। আমাদের কষ্টের কথা কেউ চিন্তা করে না।
শহর ব্যবসায়ী সেলিম রেজা, মাত্র ৫ মিনিটের রাস্তা পার হতে ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগছে। সোহেল রানা বলেন, রাস্তার ছোট বড় খাদগুলো হয়েছে মরণফাঁদ। জমে থাকা পানির ওপর দিয়ে পার হতে দুর্ঘটনায় পড়তে হচ্ছে নিয়মিত।
গাইবান্ধা সড়ক ও জনপদ বিভাগের নিবাহী প্রকৌশলী মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, শহরের রেলগেট থেকে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল পর্যন্ত প্রায় ১ কিলোমিটার অংশে চারলেন কাজের বিষয়ে আদালতে মামলা চলছে। সে কারণে এ অংশের কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। অন্য অংশ রেলগেট থেকে পুরাতন বাজার পর্যন্ত অবশিষ্ট অংশের কাজ দ্রুত শুরু হবে।