সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন

বিশ হাজার কোরবানির পশু বিক্রি অনিশ্চিতঃ খামারি ও মালিকরা হতশায়

বিশ হাজার কোরবানির পশু বিক্রি অনিশ্চিতঃ খামারি ও মালিকরা হতশায়

সুন্দরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ আর মাত্র ১০দিন পর কোরবানির ঈদ। করোনা ভাইরাসের কারনে চলমান লকডাউন অব্যাহত থাকায় পশুর হাট বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারেনি খামারি ও মালিকরা। পশু বিক্রি অনিশ্চিত ভেবে হতাশায় মালিকরা। সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় হাজারও খামার রয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের তিস্তার চরাঞ্চলে নিরব খামার ও ব্যক্তিগত পশু পালনের সংখ্য অনেক। প্রতি বছর কোরবানির সময় উপজেলার চলাঞ্চলের কোরবানির পশু দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করা হত। আসন্ন কোরবানির ঈদে তা করতে না পারায় পশু বিক্রি অনিশ্চয়তায় পড়ছে মালিকরা। উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় বিক্রয়ের জন্য গরু, ছাগল , ভেড়া ও মহিষ মিলে কমপক্ষে ২০ হাজার কোরবানির পশু রয়েছে। যার আনুমানিক দাম ৮০ কোটি টাকা। এর সিংহভাগ রয়েছে চরাঞ্চলে। এছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে নারী উদ্যোক্তাদের খামারেও রয়েছে অসংখ্য গরু ছাগল। এসকেএস ফাউন্ডেশনের এম এম ডাব্লিউ ডাব্লিউ প্রকল্পের নারী উদ্যোক্তাদের ১০০টি গরু ইতিমধ্যে অনলাইন পোর্টাল দরাজ বাংলাদেশের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে। বেলকা বাজারের খামারি ওমর আলী জানান, তিনি প্রতি বছর কমপক্ষে ১০টি গরু বিক্রি করে থাকেন। বর্তমানে তার খামারে ৬টি গরু রয়েছে। আসন্ন কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করতে না পারলে তার অনেক লোকসান হবে। তাছাড়া ওইসব গরু আর খামারে রাখা যাবে না। তিনি গরু বিক্রি করার ব্যাপারে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেছেন। উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ফজলুল করিম জানান, উপজেলায় বিভিন্ন খামারে এবং ব্যক্তিগত কমপক্ষে ২০ হাজার কোরবানির পশু রয়েছে। চলমান লকডাউনের পশুর হাট বন্ধ থাকায় হতাশায় রয়েছে পশুর মালিকরা। সময়মত পশু বিক্রি করতে না পারলে খামারি ও মালিকদের অনেক ক্ষতি হবে। উপজেলা নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, সরকারি নির্দেশনার বাহিরে কোন কিছু করার সুযোগ নাই। তবে সরকারি নিদের্শনা পেলে পশুর হাট চালু করার ব্যবস্থা করা হবে।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com