বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:১৬ অপরাহ্ন

ফুলছড়ির চরে হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

ফুলছড়ির চরে হাড়কাঁপানো শীতে জনজীবন বিপর্যস্ত

স্টাফ রিপোর্টারঃ শীত তো অনেক। চরের চারপাশ দিয়ে নদী। যখন উত্তর-পশ্চিমা বাতাস ছাড়ে তখন হাড়সহ গা কাঁপে; কিন্তু উপায় নাই। শস্য ফলানোর সময় তো এখনই। ক্ষেত যত আগে লাগাব তত তাড়াতাড়ি ঘরে ফসল উঠবে। দেরি হলে বৈশাখ মাসে পানির নিচে সব তলিয়ে যাবে। কষ্ট তো আমাদের জীবনের সঙ্গী- কথাগুলো বলছিলেন ফুলছড়ি উপজেলার খাটিয়া মারি চরের বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন। উত্তরাঞ্চলসহ সারা দেশের জনজীবন যখন শীতে বিপর্যস্ত তখন ঠান্ডার কাঁপুনি উপেক্ষা করেই ইসমাইলের মতো ফুলছড়ির অনেক কৃষাণ-কৃষাণী চরে আবাদে ব্যস্ত সময় পাড় করছেন। এ সময়ে চরে মরিচ, ভুট্টা, বাদাম, কুমড়া, গম, তিলসহ নানা ফসলের বীজ বপন করা হয়।
গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও যমুনা নদীর দুর্গম চরগুলোতে ২ লক্ষাধিক লোকের বসবাস। গেল বন্যায় নদীভাঙনের কবলে পড়ে হাজারখানেক পরিবার সব হারিয়েছে। অনেকে আশপাশের জেলার চরে ঠাঁই নিয়েছেন।
স্থানীয় এড়েন্ডাবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান বলেন, চরের মানুষ খুবই পরিশ্রমী। চর হচ্ছে শস্য উৎপাদনের ক্ষেত্র। আমাদের এখানকার মানুষের শীতের সময় শীত, গরমের সময় গরম বেশি লাগবে-এটাই স্বাভাবিক। তবে শীতে বৃদ্ধ মানুষদের কষ্ট বেশি হয়। এ ছাড়া এ সময় ছিন্নমূল মানুষ অর্থাৎ যাদের শীতবস্ত্র নেই, তারা খুবই দুর্ভোগ পোহান।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com