বৃহস্পতিবার, ২৬ মে ২০২২, ০২:৪০ অপরাহ্ন

প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে গৃহহীন ভূমিহীনদের মধ্যে আনন্দের বন্যা

প্রধানমন্ত্রীর উপহার ঘর পেয়ে গৃহহীন ভূমিহীনদের মধ্যে আনন্দের বন্যা

স্টাফ রিপোর্টারঃ মুজিববর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার নতুন ঘর পেয়ে গাইবান্ধার গৃহহীন ভূমিহীনদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। তারা আনন্দ উচ্ছ্বাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
জানা গেছে, গাইবান্ধা জেলার সাতটি উপজেলার ৮৪৬টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারের জন্য গৃহ নির্মাণে ১৪ কোটি ৪৬ লাখ ৬৬ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়। বরাদ্দকৃত অর্থ দিয়ে গাইবান্ধা সদর উপজেলায় ১০৫টি, সুন্দরগঞ্জে ২৭২টি, গোবিন্দগঞ্জে ১২০টি, সাদুল্লাপুরে ১৭৯টি, ফুলছড়িতে ৭৫টি, সাঘাটায় ৩৫টি ও পলাশবাড়ীতে ৬০টি গৃহ নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়াও গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় নবনির্মিত ৪টি ব্যারাকে ২৮০টি ভুমিহীন-গৃহহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। দুই কক্ষ বিশিষ্ট আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত রঙিন টিনের দোচালা ও সেমিপাকা ঘর নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।
গত ২৩ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীর আশ্রায়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় নির্মিত ‘স্বপ্ননীড়’ এর চাবি পেয়েছেন ভূমিহীন-গৃহহীন গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের পচারবাজার এলাকার গুচ্ছগ্রামের আঞ্জুয়ারা বেগম। অভাব অনটনের সংসারে অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজ বাড়ি বানানোর কথা শুধুই স্বপ্ন ছিলো আঞ্জুয়ারার জীবনে। কিন্তু তার সেই স্বপ্ন পূরণ করে দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘মুজিববর্ষ’ উপলক্ষে সব ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে ঘর দেয়ার প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে শুধু মাথা গোঁজার ঠাঁই নয় নিজের নামে দুই শতক জমিও পেয়েছেন আঞ্জুয়ারা। নিজের নামে জমির দলিল ও ঘরের কাগজ পেয়ে আনন্দ-উচ্ছ্বাসে তার চোখে মুখে যেন আলোর রোশনাই। আঞ্জুয়ারার মত ভুমিহীন গৃহহীন ২৩টি পরিবার ঠাঁই পেয়েছে ২৩টি সারিবদ্ধ ঘর ও সংলগ্ন ২ শতক জমি।
এছাড়াও বিধবা মালেকা বেগম বলেন, ‘স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারিনি যে জমিসহ আধাপাকা নতুন ঘর পাবো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে ঘর উপহার দিয়েছেন। এখন থেকে আমি পাকাঘরে থাকতে পারবো। আমি ভীষণ খুশি ঘর পেয়ে। অনেক দোয়া করি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com