শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর ২০২০, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন

পলাশবাড়ী সরকারী খাদ্য গুদামে ধান ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মঃ দূনীর্তি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা

পলাশবাড়ী সরকারী খাদ্য গুদামে ধান ক্রয়ে ব্যাপক অনিয়মঃ দূনীর্তি দমন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা

পলাশবাড়ী প্রতিনিধিঃ পলাশবাড়ী উপজেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে ধান ক্রয়ের ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
অভিযোগে প্রকাশ, প্রতি বছরের ন্যায় বর্তমান সরকার প্রান্তিক কৃষকদের নিকট থেকে সরাসরি ন্যায্য মুল্যে ধান ক্রয়ের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় পলাশবাড়ী উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১৫১২ মেঃ টন আমন ধান ১ হাজার ৪০ টাকায় প্রতিমন ধান ক্রয়ের জন্য বরাদ্দ প্রদান করে খাদ্য মন্ত্রনালয়।
কৃষক সরাসরি ধান দিতে না পারায় উপজেলা ক্রয় কমিটি স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত কল্পে ৯ টি ইউনিয়নের ধান বিক্রয় করার মত কৃষক তালিকা প্রনয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। ক্রয় কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর ৯ টি ইউনিয়নের কৃষক তালিকা চুড়ান্ত করেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অফিসের তালিকা মোতাবেক ধান ক্রয়ের জন্য ৯ টি ইউনিয়নের কৃষকদের লটারীর মাধ্যমে মনোনয়ন করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করে ক্রয় কমিটি।
গত বছরের নভেম্বর মাসে ক্রয় কমিটি লটারীর মাধ্যমে নির্বাচিত ৩১৫০ জন কৃষকের তালিকা প্রস্তুত করে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের নিকট হস্তান্তর করেন।
নভেম্বর ডিসেম্বর ২০১৯ দুই মাসে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ধান ক্রয়ে ব্যর্থ হয়। ধান ক্রয়ে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস থেকে বারংবার তাগিদ দিলে অবশেষে টনক নড়ে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের। ধান ক্রয় ব্যাতি রেখে চাল ক্রয় নয় এমন সিদ্ধান্ত উচ্চ পর্যায় থেকে আসলে অনেকটা বে -কায়দায় পরে যায় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। বাধ্য হয়ে তিনি ধান সিন্ডিকেটের স্মরনাপন্ন হন।
কৃষকরা সরাসরি ধান দিতে আসলে উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা বিভিন্ন তালবাহানা শুরু করে। নানা অজুহাত দেখিয়ে তাদের ধান ফিরিয়ে দেয়া হয়। আবার ওই কৃষক সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আসলে তার ধান ক্রয় করা হয়।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com