মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:১৪ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সাদুল্লাপুরে ঝুকি নিয়ে নৌকা ও বাঁশের সাঁকোয় নদী পারাপার গাইবান্ধায় যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন গোবিন্দগঞ্জ রংপুর ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন সাঘাটায় ২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ এক মাদক কারবারি আটক গাইবান্ধায় জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতির মিলনমেলা রোগ পরীক্ষা নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে হেলথ প্লাস ডায়াগনস্টিক সেন্টার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ২ শিক্ষক আটক সুন্দরগঞ্জে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা প্রেমিকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযানঃ গ্রেফতার ৩ পলাশবাড়ীতে মাদকসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার

পলাশবাড়ীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পলাশবাড়ীতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পলাশবাড়ী প্রতিনিধিঃ পলাশবাড়ীতে বেশকিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রধান শিক্ষকগণ সরকারি বরাদ্দের টাকা নামমাত্র কাজ করে বাকী টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, সরকার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ৪র্থ প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪) এর অধীনে সারা দেশের ন্যয় পলাশবাড়ী উপজেলার শিক্ষা অফিসের অধীনে বরাদ্দকৃত টাকা প্রতিটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের নিকট থেকে কাজ করার পূর্বেই বরাদ্দের টাকার পরিমান অনুযায়ী বিল ভাউচার জমা নিয়ে বরাদ্দকৃত অর্থ প্রদান করা হয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকগণ নামমাত্র কাজ করে বাকী টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি উপজেলার কিশোরগাড়ী ইউনিয়নের চকবালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাধন চন্দ্রের কাছে কত টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন জানতে চাইলে তিনি বরাদ্দের কথা অস্বীকার করেন। বাড়াইপাড়া উত্তরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত ২ লাখ, স্লিপের ৫০ হাজার ও শিশু শ্রেণির ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। উক্ত বরাদ্দের টাকা দিয়ে কি কাজ করা হয়েছে তা প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আব্দুর রউফের কাছে জানতে চাইলে তার সঠিক কোন উত্তর দিতে পারেনি। হোসেনপুর ইউনিয়নের সাইনদহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খুশবুন নাহার কত টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন তা বলতে পারেনি। মনোহরপুর ইউনিয়নের খামার মামুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি জরাজীর্ণ অবস্থায় দেখা যায়। বর্তমানে উক্ত বিদ্যালয়ে কত টাকা বরাদ্দ পেয়েছেন প্রধান শিক্ষক শামীমা সুলতানার কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি শুধুমাত্র স্লীপের ৫০ হাজার টাকা পেয়েছি। রুটিন মেইনটেন্যান্স ৪০ হাজার এবং শিশু শ্রেণির ১০ হাজার টাকা বরাদ্দের কথা অস্বীকার করেছেন। অপরদিকে ওই বিদ্যালয়ের ৫ জন শিক্ষকের মধ্যে একই সাথে ৩ জন গাইবান্ধা পিটিআই প্রশিক্ষণে আছেন। তবে শিক্ষার্থীদের পড়ালেখা নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রশ্নের দেখা দিয়েছে। বরিশাল ইউনিয়নের ছাউনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত ২ লাখ, স্লীপের ৫০ হাজার ও শিশু শ্রেণির ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। তার মধ্যে ৭টি ট্রলি মাটি বিদ্যালয় মাঠে ফেলানো হয়েছে যার অনুমান মূল্য ৬ হাজার টাকা। বাকী টাকার কোন খবর নেই। হরিনাথপুর ইউনিয়নের মরাদাতেয়া ২নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্ষুদ্র মেরামত ২ লাখ, স্লীপের ৫০ হাজার ও শ্রেণি শ্রেণির ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। উক্ত বরাদ্দের টাকার মধ্যে ১০ জোড়া ব্রেঞ্চ ও ২টি সিলিং ফ্যান ক্রয় করা হয়েছে যার অনুমান মূল্য ২০ হাজার টাকা। বাকী টাকা আত্মসাত করা হয়েছে। হরিনাথপুর ইউনিয়নের মরাদাতেয়া দক্ষিনপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্লীপের ৫০ হাজার ও শিশু শ্রেণির ১০ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মেহেদী আক্তার শুধু স্লীপের ১০ হাজার টাকার কথা স্বীকার করেছেন। বাকী টাকার কোন খোঁজ নেই। এলাকার সচেতন মহল সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবী জানিয়েছেন। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নাজমা খাতুনের সাথে কথা বললে তিনি জানান, কোন বিদ্যালয়ে কত টাকা বরাদ্দ পেয়েছে তা যদি শিক্ষকগণ অস্বীকার করেন তাতে আমার কি করার আছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com