বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:০৯ অপরাহ্ন

পদুমশহর মডেল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে নরমাল ডেলিভারিতে শিশুর জন্ম

পদুমশহর মডেল স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে নরমাল ডেলিভারিতে শিশুর জন্ম

স্টাফ রিপোর্টারঃ বছর তিনেক আগেও অবহেলায় পড়ে ছিল সাঘাটার পদুমশহর মডেল ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। নামমাত্র স্বাস্থ্যসেবা পেতেন রোগীরা। প্রসূতিদের নিতে হতো শহরে। সিজারে বাড়তি খরচ গুনতে হতো, ঝুঁকিতে থাকতেন মা ও নবজাতক। তবে দু’তিন বছরের ব্যবধানে বদলে গেছে স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিত্র। ২০২১ সাল থেকে এ পর্যন্ত স্বাভাবিক প্রসবে (নরমাল ডেলিভারি) ১ হাজার ৭৪ শিশুর জন্ম হয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি এখন প্রসূতিদের কাছে অন্যতম ভরসার ঠিকানা।
শুধু পদুমশহর নয়, ফুলছড়ির উড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে ২১৯ শিশু এবং এরেন্ডবাড়ীর কেন্দ্রে ১৫৮ শিশুর স্বাভাবিক প্রসব হয়েছে। চরাঞ্চলের অন্তঃসত্ত্বা মা ও নবজাতকের সেবায় ব্রহ্মপুত্র নদে ইঞ্জিনচালিত বিশেষ নৌকা ও ওয়াটার অ্যাম্বুলেন্স মমতার তরী উন্নত স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছে। এসকেএস ফাউন্ডেশন, সেভ দ্য চিলড্রেন এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর গাইবান্ধা জেলায় বিশেষ এ সেবা ২০২১ সালে চালু করে।
জেলা শহর থেকে ২০ কিলোমিটার দক্ষিণে সাঘাটার পদুমশহর ইউনিয়নে রয়েছে স্বাস্থ্যকেন্দ্র। আর ৩৪ কিলোমিটার দূরে এরেন্ডবাড়ী এবং ১৭ কিলোমিটার দূরে উড়িয়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের অবস্থান। সরেজমিন পদুমশহরে গিয়ে এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২১ সালের এপ্রিলে এসকেএস ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে মমতা প্রকল্প-এর নতুন কার্যক্রম শুরু হয়। এর আওতায় দু’জন মিডওয়াইফ, আয়া, নৈশপ্রহরী এবং টেকনিক্যাল অফিসার (টিওসিবিএফ) নিয়োগ দেওয়া হয়।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রপাতিও দেওয়া হয়েছিল। এরপর থেকে প্রসব পূর্ববর্তী, প্রসবকালীন এবং প্রসব-পরবর্তী সেবার মাধ্যমে নতুন করে পরিচিতি পায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি। তেমনই একজন রাশেদা বেগম (২৪) বলছিলেন, আগে তো হামরা হ্যাটাই কোনো দিনও আসি নাই। এক আত্মীয়র নরমাল ডেলিভারি হইচে। তার কাছ থাকি শুনি আসি। দরকারি টেস্ট করি নরমাল ডেলিভারি হয়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

 

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com