বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪, ১২:২২ অপরাহ্ন

নুরুলগঞ্জ হাটের ড্রেনের পানি জমে ময়লা আবর্জনার স্তম্ভ

নুরুলগঞ্জ হাটের ড্রেনের পানি জমে ময়লা আবর্জনার স্তম্ভ

স্টাফ রিপোর্টারঃ বাদিয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী নুরুলগঞ্জ হাটের ড্রেনের পানি নিষ্কাশন হতে না পারায় ড্রেনে জমাট বাধা পানি ও ময়লা আবর্জনার পঁচা গন্ধে পরিবেশ দুষিত হচ্ছে। পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে পঁচা আবর্জনা থেকে মশা মাছির উপদ্রপ বাড়ছে। ফলে হাটে আসা ক্রেতা বিক্রেতা সাধারণের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। গাইবান্ধা সদরের বাদিয়াখালীর ঐতিহ্যবাহী নুরুলগঞ্জ হাটের পানি নিষ্কাশনের জন্য সম্ভব্য ১৯৮৮ সালে উক্ত হাটে ২টি পানি নিষ্কাশন ড্রেন নির্মান করা হয়। আর নির্মানকৃত ড্রেন দুটির পানি নিষ্কাশনের জন্য হাটের পূর্ব প্রান্তে মালিকানাধীন একটি পুকুরের সাথে সংযোগ ছিল। পরবর্তি পুুকুরটিতে মাটি ভরাট করার ফলে ড্রেনের পানি নিষ্কাশন হতে পারছে না দীর্ঘদিন থেকে। এর ফলে সময়ে অসময়ে বৃষ্টির পানি, হাট মসজিদের অযুখানার পানি, ক্রেতা বিক্রেতা জনসাধারনের জন্য হাটে বসানো একটি টিউবওয়েলের পানি ছাড়াও হাটের টি-স্টলগুলোর ব্যবহৃত পানিতে সবসময় ড্রেন ২টি ভরে থাকে। একারনে ময়লা আবর্জনার জমাট বাধা উপচে পড়া ড্রেনের পঁচা দুর্গন্ধময় পানি পরিবেশ দুষণ করছে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার অভাবে ড্রেনে জমে থাকা ময়লা আবর্জনা থেকে মশা মাছির উপদ্রপ বাড়ছে। বর্ষা মৌসুমে হাটে কাদাযুক্ত ময়লা পানিতে ক্রেতা বিক্রেতা সাধরনের চলাচলে মারাত্মক দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এছাড়া বৃষ্টি মৌসুমে ড্রেন ২টি পানিতে তলিয়ে থাকায় খোলা ড্রেনে পড়ে অনেকেই আহত হয়েছে বলে জানা যায়। হাটটি সোমবার ও শুক্রবার বসে। এই হাটটিতে ঈদুল আযহা উপলক্ষে মাসাধিকাল পর্যন্ত কোরবানির পশু ক্রয় বিক্রয়ের জন্য হাজার হাজার মানুষের আগমন ঘটে। গত শুক্রবার হাটটি ঘুরে দেখা যায়, সম্প্রতি হাটটিতে ভিডাব্লিউ এসপি প্রজেক্ট কর্তৃক ডিপিএইচই হাটে আসা জনসাধারণের ব্যবহারের জন্য একটি ওয়াটার ট্যাংক বসানো হলেও ট্যাংকটির ব্যবহৃত পানি নিষ্কাশনের কোন ব্যবস্থা নেই।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com