শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২০, ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ দূর্দশা লাঘবের জন্য চর উন্নয়ন বোর্ড করা দরকার -ডেপুটি স্পীকার প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণঃ ধর্ষক গ্রেফতার হেড ফোন কানেঃ ট্রেনের ধাক্কায় প্রান গেলে যুবকের দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়ে আনন্দিত ভিক্ষুক শুকুর আলী ধাপেরহাটে র‌্যাব ও ভোক্তা অধিকারের যৌথ অভিযান ৪ আলু ব্যাবসায়ীর ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধাপেরহাটে ১০ দিনে ৭টি বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুঃসাহসিক চুরি গাইবান্ধায় তিনদিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সমাপ্ত ধর্ষণ মামলার আসামী মুক্তি পেয়ে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি শহরের ডিবি রোড চলাচলের অযোগ্যঃ পথচারীদের দুর্ভোগ কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষকদের মানববন্ধন স্মারকলিপি প্রদান

নলডাঙ্গায় ফসলের পোকা নির্ণয়ে আলোর ফাঁদ পদ্ধতি স্থাপিত

নলডাঙ্গায় ফসলের পোকা নির্ণয়ে আলোর ফাঁদ পদ্ধতি স্থাপিত

নলডাঙ্গা ( সাদুল্লাপুর) প্রতিনিধিঃ সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গায় কৃষি বিভাগের উদ্যোগে ফসলে পোকা মাকড় দমনে আলোর ফাঁদ পদ্ধতি চালু করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার নলডাঙ্গা প্রতাপ সুকান দীঘির উপরে কৃষকদের সচেতনায় প্রায় ঘন্টাব্যাপি আলোর ফাঁদ পদ্ধতি স্থাপন করে কৃষকদের দেখানো হয়। এ সময় নলডাঙ্গা ইউনিয়নের দায়িত্বরত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান, আবু সাঈদ ও এস,এম তোহা আলোর ফাঁদ স্থাপনের কলা কৌশল, প্রয়োজনীয় উপকরন সামগ্রী এবং পোকা নিধনে এর উপকারিতা সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন। তারা বলেন, আলোর ফাঁদ দিয়ে ধান ক্ষেতে ক্ষতিকারক আক্রান্ত পোকা ও উপকারী পোকার হার নির্ণয় করা সম্ভব। পাঁতানো আলোর ফাঁদে ফসলের ক্ষতিকারক পোকা সবুজ পাতা ফড়িংয়ের উপস্থিতির হার বেশী লক্ষ্য করা গেছে। তবে উপকারী পোকার উপস্থিতি ছিল যৎ সামান্য। সাদুল্লাপুর উপজেলা কৃষি অফিসার খাজানুর রহমান বলেন, ফসলের ক্ষতিকারক ও উপকারী পোকা সনাক্ত করনের লক্ষে গত মঙ্গলবার একযোগে উপজেলার সকল ইউনিয়নে আলোর ফাঁদ স্থাপন করে কৃষকদের দেখানো হয়েছে। এটা সাধারনত আবহাওয়ার উপর নির্ভর করে। তবে ধান পরিপক্ক হওয়ার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত এসব ক্ষতিকারক পোকা আক্রমনের আশঙ্কা থাকে। তাই ধান পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত কৃষি বিভাগের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি জানান। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ক্ষতিকারক পোকার কবল থেকে রক্ষা পেতে কৃষকদের উদ্ধুর্দ্ধ করতে কৃষি বিভাগ আগাম এই ব্যবস্থা নিয়েছে। তিনি আরও জানান, প্রতি মঙ্গলবার ভিন্ন ভিন্ন স্পটে আলোর ফাঁদ বসিয়ে পোকা নির্ণয়ের কাজ চলছে। এজন্য আমরা ৫ জন কর্মকর্তা মাঠ পর্যায়ে সার্বক্ষনিক কাজ করে যাচ্ছি। যেসব স্পটে ক্ষতিকারক পোকার হার বেশী দেখা গেছে সেখানকার কৃষকদের কীটনাশক ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে ।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com