শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৩:১৭ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সাদুল্লাপুরে প্রকাশ্যে বিনামূল্যের ভিজিএফ এর চাউল বেচাকেনা সুন্দরগঞ্জে কুরবানীর হাটে পুলিশ-জনতা সংঘর্ষ গ্রেফতার আতঙ্কে চার গ্রামে ঈদের আনন্দ বিষাদে পরিণত পলাশবাড়ীতে চায়না দুয়ারী শয়তান জাল পুড়িয়ে দিলেন অবশেষে গাইবান্ধা প্রেসক্লাব সিলগালা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকারঃ জব্দ হওয়া হাজারো যানবাহন খোলা আকাশের নিচে সুন্দরগঞ্জের ভিজিএফ চাল বিতরণ ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কামার সম্প্রদায় চাকু-ছোড়া ও বটির বানাতে ব্যস্ত সময় পাড় করছে খোলাহাটিতে আগুনে ৫ দোকান পুড়ে ছাই সুন্দরগঞ্জে পশুরহাটে পুলিশ জনতা-সংঘর্ষে ৪ রাউন্ড গুলি বর্ষন পুলিশসহ আহত ১০ গাইবান্ধা পৌর এলাকায় অপরিকল্পিত ভাবে কৃষি জমিতে বাড়ী নির্মান

চাহিদার অর্ধেক মেলে বিদ্যুৎ সুন্দরগঞ্জে লোডশেডিংয়ে নাকাল গ্রাহক

চাহিদার অর্ধেক মেলে বিদ্যুৎ সুন্দরগঞ্জে লোডশেডিংয়ে নাকাল গ্রাহক

স্টাফ রিপোর্টারঃ সুন্দরগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় গ্রাহক সংখ্যা ১ লাখ ৩৩ হাজার। তাদের দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা ২০ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ পাওয়া যায় ৮ থেকে ১০ মেগাওয়াট। রাতদিন ২৪ ঘণ্টায় গ্রাহকরা ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের শিকার হচ্ছেন। লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎনির্ভর ফসল আবাদসহ হুমকির মুখে পড়েছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
অন্যদিকে দেশের বৃহত্তম তিস্তা সোলার প্লান্টের মাধ্যমে উপজেলায় ২০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হলেও তা যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে। সোলার প্লান্টের সুবিধা পাচ্ছেন না স্থানীয় গ্রাহক। অসহনীয় লোডশেডিংয়ে জীবন দুর্বিষহ তাদের। এ যেন আলোর নিচে অন্ধকার।
পৌরসভার আবাসিক গ্রাহক আবদুল মান্নান আকন্দ জানান, ২৪ ঘণ্টায় কোনো কোনো এলাকায় গড়ে ১০ ঘণ্টাও বিদ্যুৎ থাকে না। কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুৎ এলেও আবার চলে যায়। অতিরিক্ত গরমে ভোগান্তিতে পড়েছেন। বাসাবাড়িতে দৈনন্দিন কাজকর্ম করতেও বেগ পেতে হচ্ছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা।
সুন্দরগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আশরাফুল আলম সরকার লেবু বলেন, তিস্তা সোলার প্লান্ট আশার আলো হয়ে ধরা দিলেও এ প্রকল্প থেকে স্থানীয়রা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না। এটি দুঃখজনক।
এ বিষয়ে তিস্তা সোলার লিমিটেডের ডেপুটি ম্যানেজার নাহিদ হাসান জানান, এ প্লান্ট থেকে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে। স্থানীয়রা কেন এখান থেকে বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া সোলার প্লান্ট-সংক্রান্ত কোনো তথ্য দেওয়া সম্ভব নয়।
২০১৭ সালে তিস্তাপাড়ে ৩০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ে তিস্তা সোলার লিমিটেড নামে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণ করা হয়। তিস্তাপাড় থেকে রংপুর পর্যন্ত নির্মাণ করা হয়েছে ১২২টি টাওয়ারের মাধ্যমে ১৩২ কিলো ভোল্টের ৩৫ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন। দেশের সর্ববৃহৎ প্লান্টটিকে নদী ভাঙনের কবল থেকে রক্ষায় নির্মাণ করা হয়েছে বাঁধ ও সাত কিলোমিটার সড়ক। মাটির নিচ দিয়ে সাড়ে পাঁচ কিলোমিটার কেবল স্থাপন করা হয়েছে। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে পরীক্ষামূলক প্রক্রিয়া শেষে চলতি বছরের জানুয়ারিতে এ প্লান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com