শনিবার, ২১ মে ২০২২, ০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন

গোবিন্দগঞ্জে নারী ও তরুণ ভোটারের উপস্থিতি বেশি

গোবিন্দগঞ্জে নারী ও তরুণ ভোটারের উপস্থিতি বেশি

স্টাফ রিপোর্টারঃ চতুর্থ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়ন এবং পলাশবাড়ীর উপজেলার ২টি ইউনিয়নসহ জেলার ১৮টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল রবিবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয়ে বিকেল ৪টায় ভোট গ্রহন শেষ হয়। এবার গোবিন্দগঞ্জের ১টি ও পলাশবাড়ীর ২টি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম); বাকি ১৫টিতে কাগজের ব্যালটে ভোটগ্রহণ হয়েছে।
গতকাল রবিবার সকাল থেকে ভোটকেন্দ্রগুলো ঘুরে দেখা গেছে, উৎসাহ-উদ্দীপনায় ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে এসে ভোট দিচ্ছেন। সকাল থেকেই এসব ইউনিয়নের ভোটকেন্দ্রগুলোতে নারী ও তরুণ ভোটারের উপস্থিতি বেশি দেখা গেছে। তবে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোট কেন্দ্রেগুলোতে নারী ও তরুণ ভোটারের পাশাপাশি পুরুষ ভোটারের উপস্থিতি বাড়তে শুরু করে। এর আগে সকাল ৭টার পর থেকেই কেন্দ্রগুলোতে নারী ভোটারদের লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে।
এবারে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ১৬টি ইউনিয়নের ১৬১টি কেন্দ্রে ৩ লাখ ৬০ হাজার ৮৩৯ জন ভোটার ছিলেন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৮ হাজার ৬১ জন ও নারী ভোটার ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৭৮ জন। এ ১৬টি ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে ৯২ জন, সদস্য পদে ৬৫২ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ২৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন বলে নির্বাচন অফিস সূত্র জানিয়েছে। এ দিন একই সাথে পলাশবাড়ী উপজেলার ২টি ইউনিয়নের ২২টি কেন্দ্রেও ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। এখানকার ভোটার সংখ্যা ৪৭ হাজার ৪৬১ জন।
গোবিন্দগঞ্জের মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের শিংজানী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো। এ কেন্দ্রে নারী-পুরুষ মিলে ভোটার সংখ্যা প্রায় তিন হাজার ৬৪৩ জন।
এই কেন্দ্রেপ্রথম ভোট দিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে ভোটার রোকসানা খাতুন বলেন, এবার আমি প্রথম ভোট দিলাম। ভোট দিতে কোনো সমস্যা হয়নি। মার্কা খুজে ভোট দেওয়া খুব সহজ।
লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দেওয়ার অপেক্ষা করছিলেন অর্চনা রানি নামে এক নারী ভোটার। তিনি বলেন, ভোটের পরিবেশ খুব ভালো। এজন্য ভালো লাগছে। সকালে এসেছি ভোট দিয়ে দ্রুত বাসায় চলে যাবো।
মহিমাগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে এসেছিলেন মধ্যবয়সী নারী জুলেখা বেগম। তিনি বলেন, আমাদের জন্য যে ভালো করবেন, তাকেই ভোটদেবো।
নির্বাচন অফিস সূত্র জানায়, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা মোতায়েন ছিল। এদের মধ্যে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা রক্ষায় পুলিশ ও আনসার নিয়োজিত ছিল এবং বিজিবি, র‌্যাব ও পুলিশের কুইকরেসপন্স টিম নির্বাচনী এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য ছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করেন।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com