বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০২:৩১ অপরাহ্ন

গোবিন্দগঞ্জে দোকান বরাদ্দের নামে টাকা আদায়

গোবিন্দগঞ্জে দোকান বরাদ্দের নামে টাকা আদায়

স্টাফ রিপোর্টারঃ গোবিন্দগঞ্জে সরকারি নিয়ম না মেনে নাকাইহাটে স্থায়ী পাকা দোকানঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে নাকাই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান খন্দকার সাজুর বিরুদ্ধে। তিনি টেন্ডার আহ্বান না করে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে কাজটি করছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক সুবিধাভোগী। এ ছাড়া ঘর বরাদ্দ বাবদ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে জানা গেছে।
নাকাইহাটে দোকানঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় উপজেলা প্রশাসন। হাটের ২০টি দোকানঘর নির্মাণে বরাদ্দ দেওয়া হয় ২২ লাখ টাকা। নিয়ম অনুযায়ী ২ লাখ টাকার বেশি কাজ হলে তার জন্য দরপত্র আহ্বান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সে নিয়ম মানা হয়নি। নাকাই ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার সাজু প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির মাধ্যমে কাজটি করছেন। অনিয়ম ঢাকতে তিনি কৌশল অবলম্বন করে। ভেঙে ভেঙে ২ লাখ টাকার প্রকল্প দেখিয়ে নিজেই কাজ করছেন। এ ছাড়া দোকানঘর দেওয়ার কথা বলে প্রতিজনের কাছ থেকে দেড় লাখ টাকা করে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এর আগেও তিনি একইভাবে ২০টি ঘর নির্মাণ করেছেন। অভিযোগ করেও প্রতিকার মেলেনি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী দোকান মালিকরা।
আফছার আলী, মইদুল ইসলাম, জাহিদুল ইসলামসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান দোকানঘর বাবদ দেড় লাখ করে টাকা নিয়েছেন। তবে নিম্নমান সামগ্রী বা দোকান বরাদ্দ বাবদ টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার সাজু। এছাড়া ছোট প্রকল্প হওয়ায় দরপত্র আহ্বান করা হয়নি বলে জানিয়েছন তিনি।
প্রকৌশলী আতিকুর রহমান তালুকদার বলেন, আমাদের কাজ দোকানঘরের মূল্য নির্ধারণ করা। অনিয়মের বিষয়ে কিছু করার নেই।
ইউএনও রাসেল মিয়া বলেন, কাজটি উপজেলা প্রশাসনের করার কথা। এ ক্ষেত্রে উল্টো হয়েছে। চেয়ারম্যান নিজেই কাজগুলো করছেন। এর আগের ইউএনওর সময়ও তিনি এভাবে কাজ করেছেন। অভিযোগ খতিয়ে দেখে এসিল্যান্ডকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com