মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
সাদুল্লাপুরে ঝুকি নিয়ে নৌকা ও বাঁশের সাঁকোয় নদী পারাপার গাইবান্ধায় যুগান্তরের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন গোবিন্দগঞ্জ রংপুর ইপিজেড বাস্তবায়নের দাবীতে মানববন্ধন সাঘাটায় ২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ এক মাদক কারবারি আটক গাইবান্ধায় জাতীয় ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প সমিতির মিলনমেলা রোগ পরীক্ষা নামে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছে হেলথ প্লাস ডায়াগনস্টিক সেন্টার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে ২ শিক্ষক আটক সুন্দরগঞ্জে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা প্রেমিকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন গাইবান্ধা পাসপোর্ট অফিসে দুদকের অভিযানঃ গ্রেফতার ৩ পলাশবাড়ীতে মাদকসহ ৩ কারবারি গ্রেফতার

গাইবান্ধা হাসপাতালে করোনার টেস্টে বিড়ম্বনা চিকিৎসা পাচ্ছে না রোগীরা

গাইবান্ধা হাসপাতালে করোনার টেস্টে বিড়ম্বনা চিকিৎসা পাচ্ছে না রোগীরা

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধা জেলা সদর হাসপাতালে করোনা টেস্ট করতে আসা রোগীদের চরম বিড়ম্বনার শিকার হতে হচ্ছে। তদুপরি করোনা পজেটিভ রোগীরা কোন চিকিৎসা না পেয়ে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
করোনা টেস্ট করতে আসা রোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, সিভিল সার্জন অফিসের পশ্চিম পার্শ্বে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিসের সম্মুখের খোলা চত্বরে করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহের বুথটি স্থাপন করা হয়েছে। এখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে করোনার টেস্ট করতে লাইন করে দাঁড়িয়ে থাকে। সেখানে বসার কোন ব্যবস্থা নেই। এমনকি নেই কোন চেয়ার বেঞ্চ। ফলে সারাক্ষণই রোগীদের দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ওখানে কোন সেডও নির্মাণ করা হয়নি। এমনকি করোনা নমুনা পরীক্ষার ফরম সংগ্রহ করে সেটি পূরণ করার মত টেবিল-চেয়ারও সেখানে রাখা হয়নি। জানা গেছে, জেলা পরিষদ থেকে জরুরী ভিত্তিতে রোগীদের জন্য একটি সেড নির্মাণের ৩ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হলেও এখন পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সেড নির্মাণের কোন উদ্যোগ নেয়নি।
এছাড়াও রোগীদের অভিযোগে আরও জানা গেছে, করোনা পজেটিভ হলে ২ থেকে ৩ ঘন্টার মধ্যে জরুরী ভিত্তিতে মোবাইল ফোনে ম্যাসেজ দিলেও করোনার রিপোর্ট পাওয়া যায় একদিন পরে। রোগীদের কাছ থেকে টেস্টের জন্য দু’দফা স্যাম্পল নেয়া হয়। একটি হাসপাতালে তাৎক্ষনিক জরুরী পরীক্ষা করা হয় আর অপর স্যাম্পলটি রিপোর্টের জন্য পাঠানো হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। রংপুর থেকে রোগীদের মোবাইলে রিপোর্ট আসে একদিন পর। এদিকে করোনা পজেটিভ রোগীরা চিকিৎসার পরামর্শ পেতে চরম বিড়ম্বনায় পড়ে। এব্যাপারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে টেলিফোন করলে তাদেরকে ৩৩৩ নম্বরে মোবাইল করতে পরামর্শ দেয়া হয়। ওই জরুরী নম্বরে মোবাইল করে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করার পরে সাড়া মেলেনা না।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com