বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন

গাইবান্ধা সরকারি কলেজ ছাত্রাবাস উদ্বোধন করলেন হুইপ গিনি

গাইবান্ধা সরকারি কলেজ ছাত্রাবাস উদ্বোধন করলেন হুইপ গিনি

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধা সরকারি কলেজ ছাত্রাবাস উদ্বোধন করলেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও গাইবান্ধা-২ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য মাহাবুব আরা বেগম গিনি।
গতকাল দুপুরে পাঁচতলা বিশিষ্ট ১০০ শয্যার এ ছাত্রাবাসটির উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় কলেজ অধ্যক্ষসহ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে হুইপ মাহাবুব আরা বেগম গিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে সমৃদ্ধ ও আধুনিকায়নে গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি নতুন প্রজন্মকে বিশ্বমানের শিক্ষায় গড়ে তুলতে কাজ করছেন। শিক্ষার্থীদের একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ, শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ ও ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের হার কমানোসহ শিক্ষার মানোন্নয়নে বর্তমান সরকার ব্যাপক কাজ করে যাচ্ছে।
আজকের শিক্ষার্থীরাই একদিন চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলবে- বলে মন্তব্য করে হুইপ গিনি।
গাইবান্ধা সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সহযোগী অধ্যাপক আনিসা আকতার চৌধুরীর পরিচালনায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর গাইবান্ধার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ বেলাল আহমেদ, অর্থনীতি বিভাগের প্রধান এস.এম আসাদুল ইসলাম আসাদ, ইংরেজি বিভাগের প্রধান আব্দুর রশিদ, সহযোগি অধ্যাপক (বাংলা) আনোয়ার হোসেন, সহকারি অধ্যাপক (গণিত) ইসমাইল হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি মোঃ আসিফ সরকার, ছাত্রলীগ কলেজ শাখার সভাপতি নাইমুল ইসলাম বিশাল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন প্রমুখ।
কলেজ সূত্র জানায়, কলেজ রোডে ১৯৪৭ সালে ১৩ একর জমিতে কলেজটি গড়ে ওঠে। ১৯৮০ সালে সরকারীকরণ হয়। ১৯৫৬ সালে পাস কোর্স এবং ১৯৯৬-৯৭ সালে ১৪টি বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) শাখা চালু হয়। স্নাতকোত্তর শ্রেণি চালু হয় ১৯৯৯ সালে। বর্তমানে কলেজে শিক্ষার্থীসংখ্যা ১১ হাজার ৩৩৬ জন।
শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর গাইবান্ধা কার্যালয় সূত্র জানায়, গাইবান্ধা সরকারি কলেজে ছাত্রদের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি, কিন্তু কলেজটিতে ১০০ শয্যার ছাত্রীনিবাস থাকলেও ছিলোনা কোন ছাত্রাবাস। ২০১৫ সালের মাঝামাঝি ১০০ শয্যার ৫ তলাবিশিষ্ট এই ছাত্রাবাস নির্মাণে দরপত্র আহ্বান করা হয়। নির্মাণব্যয় ধরা হয় ৪ কোটি ৭১ লাখ টাকা। পঞ্চগড়ের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স শেখ ট্রেডার্স এ কাজের দায়িত্ব পায়।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com