বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২০, ১১:১৬ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
চরাঞ্চলের মানুষের দুঃখ দূর্দশা লাঘবের জন্য চর উন্নয়ন বোর্ড করা দরকার -ডেপুটি স্পীকার প্রেমের ফাঁদে ফেলে ১৬ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণঃ ধর্ষক গ্রেফতার হেড ফোন কানেঃ ট্রেনের ধাক্কায় প্রান গেলে যুবকের দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়ে আনন্দিত ভিক্ষুক শুকুর আলী ধাপেরহাটে র‌্যাব ও ভোক্তা অধিকারের যৌথ অভিযান ৪ আলু ব্যাবসায়ীর ৫০ হাজার টাকা জরিমানা ধাপেরহাটে ১০ দিনে ৭টি বাসা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দুঃসাহসিক চুরি গাইবান্ধায় তিনদিনব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা সমাপ্ত ধর্ষণ মামলার আসামী মুক্তি পেয়ে বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি শহরের ডিবি রোড চলাচলের অযোগ্যঃ পথচারীদের দুর্ভোগ কিন্ডার গার্টেন স্কুলের শিক্ষকদের মানববন্ধন স্মারকলিপি প্রদান

গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিকার দাবি সাদুল্যাপুরে মেয়ের ধর্ষণ মামলা করতে গিয়ে পিতা নিজেই আসামি

গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে প্রতিকার দাবি সাদুল্যাপুরে মেয়ের ধর্ষণ মামলা করতে গিয়ে পিতা নিজেই আসামি

স্টাফ রিপোর্টারঃ সাদুল্যাপুর উপজেলার ভাতগ্রাম ইউনিয়নের টিয়াগাছা গ্রামে পালিত মেয়ে রাজিয়া সুলতানার ধর্ষণের মামলা করতে গিয়ে পালক পিতা ওই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটু নিজেই আসামি হয়ে জেল খেটেছেন। ধর্ষণ ঘটনার মূল আসামি মাসুদ মিয়ার বিচার এবং মিথ্যা ধর্ষণ মামলা থেকে পালক পিতার অব্যাহতি, সুবিচারসহ থানা পুলিশের অন্যায়-দুর্নীতির প্রতিকারের দাবি জানিয়ে গতকাল সোমবার গাইবান্ধা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলন করেছেন রাজিয়া সুলতানা।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়, ভাতগ্রাম ইউপি চেয়ারম্যান এটিএম রেজানুল ইসলাম বাবুর বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির প্রতিবাদ করায় ৪নং ওয়ার্ড সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটুর সাথে মনোমালিন্য চলে আসছিল। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান তাকে ফাঁসাতে নানা ফন্দি আঁটেন। চেয়ারম্যানের নিকটতম প্রতিবেশী একই ইউনিয়নের দক্ষিণ সনতোলা গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে মাসুদ মিয়ার সাথে ইদ্রিস আলী চেংটুর পালিত মেয়ে রাজিয়া সুলতানার সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এই প্রেমের সম্পর্কের জের ধরে গত ৩ মে রাতে নিজ বাড়িতে রাজিয়া সুলতানাকে একা পেয়ে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে ধর্ষণ করে মাসুদ মিয়া। কিন্তু পরে মাসুদ মিয়া পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পরের দিন ৪ মে ধর্ষিত রাজিয়া সুলতানাকে নিয়ে ইদ্রিস আলী চেংটু ও তার স্ত্রী শিউলী বেগম থানায় ধর্ষক মাসুদ মিয়ার বিরুদ্ধে মামলা করতে গেলে চেয়ারম্যানের প্রভাবে তাদের বেআইনিভাবে আটক করে হাজতে রাখে পুলিশ এবং অকথ্য গালিগালাজ ও মারপিট করে। শুধু তাই নয়, পুলিশ জোর করে রাজিয়া সুলতানাকে দিয়ে উল্টো চেংটুর বিরুদ্ধেই ধর্ষণ ও অকাল গর্ভপাত ঘটানোর মিথ্যা অভিযোগে জোর পূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে মামলা দায়ের করে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য ইদ্রিস আলী চেংটু, শিউলী বেগম, রাজিয়া সুলতানা এবং প্রতিবেশী নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com