মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১০:০৬ অপরাহ্ন

গাইবান্ধায় হাঁস-মুরগির পালক অর্থনীতিতে অবদান

গাইবান্ধায় হাঁস-মুরগির পালক অর্থনীতিতে অবদান

স্টাফ রিপোর্টারঃ হাঁস-মুরগির পালক অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে। শুনতে অবাক লাগছে? পালক সাধারণত বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া হয়। তবে সেই পালক ফেলে না দিয়ে সংগ্রহ করা হচ্ছে।
১৯৯০-৯৬ সাল পর্যন্ত গাইবান্ধার আব্দুস সালাম নিজেই জার্মানি, যুক্তরাষ্ট্র ও চায়নাতে হাঁসের পালক রফতানি করেন। আর ব্যবসায়ীদের হাত ধরে বছরে প্রায় দেড় কোটি টাকার পালক চলে যাচ্ছে রাজশাহী ও ঢাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে। এতে সৃষ্টি হয়েছে নতুন সম্ভাবনা।
এসব পালক থেকে ফেদার, কোট, লেপ এবং তোশক তৈরি হয়।
এ পালক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় অন্তত পাঁচ হাজার মানুষ এর কর্মসংস্থান হয়েছে। তারা গ্রামে গ্রামে ঘুরে পালক সংগ্রহ করেন। প্রতিদিন পালক সংগ্রহ করে ব্যবসায়ীদের কাছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেন। দিনে তারা ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন।
১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে কেনেন এসব পালক। আর পাইকারিতে বিক্রি হয় ১৮০ টাকা কেজি দরে। তিনি আরো জানান, প্রতি সপ্তাহে প্রায় এক টন পালক সংগ্রহ হয়, যার বাজার মূল্য প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার টাকা। মাসে প্রায় সাত লাখ টাকার পালক বিক্রি হয়।
বিসিক শিল্প নগরী উপ-ব্যবস্থাপক শামীম আক্তার মামুন জানান, হাঁসের পালক রফতানিযোগ্য একটি সম্ভাবনাময় শিল্প। এসব পালক থেকে বিভিন্ন বস্ত্র উৎপাদন করলে ব্যবসায়ীরা আরো লাভবান হবেন। এ শিল্পকে এগিয়ে নিতে সার্বিক সহযোগিতার কথাও জানান তিনি।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com