সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ০৮:২২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গাইবান্ধায় হাসান হত্যার প্রতিবাদ মঞ্চের সভা সাঘাটায় নবাগত ইউএনওর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্রের ব্যাপক ভাঙনঃ নদীগর্ভে ৫৫টি পরিবারের বসতবাড়ি ফসলী জমি গাইবান্ধায় ২৫টি মামলায় ২২ হাজার ৭শ’ টাকা জরিমানা কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে রাস্তায় লোক চলাচলঃ কারো মুখে মাস্ক নেই গাইবান্ধায় করোনায় নতুন শনাক্ত ৬৯ ধাপেরহাটে পরকীয়া প্রেমের টানে ৮ মাসের অন্তঃসত্তা গৃহবধু উধাও ফ্রিতেও ছাগল-ভেড়ার চামড়া নিচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা লকডাউনের ৩য় দিনে গোবিন্দগঞ্জের ৬ জনের অর্থদন্ড গাইবান্ধায় কঠোর লকডাউনের তৃতীয় দিনে রাস্তায় মটর সাইকেলের চলাচল সাদুল্লাপুরে বোমা-ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার

গাইবান্ধায় সন্তান হারা মা ফিরে পেলেন তার সন্তানকে

গাইবান্ধায় সন্তান হারা মা ফিরে পেলেন তার সন্তানকে

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধা শহরের আধুনিক হাসপাতাল সড়কের যমুনা ক্লিনিকে সিজারিয়ান অপারেশনের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানকে বিক্রি করে দেয়ার ঘটনা জানার পর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে হতভাগি মা ফিরিয়ে পেলেন তার সন্তানকে। গত শনিবার রাতে ওই শিশু ছেলে সন্তানকে অর্থের বিনিময়ে গ্রহণকারি ব্যক্তির কাছ থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে তার মার কাছে ফিরিয়ে দেয়া হয়।
গাইবান্ধা সদর উপজেলার ঘাগোয়া ইউনিয়নের শোলাগাড়ি গ্রামের দিনমজুর শাহজাহান মিয়ার গর্ভবর্তী স্ত্রী আমেনা বেগমের প্রসব বেদনা উঠলে স্থানীয় চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে গত ১৩ সেপ্টেম্বর সিজারিয়ানের জন্য জেলা শহরের যমুনা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিজারের পর সন্তানসহ মা গত ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভর্তি থাকেন। পরে তাকে রিলিজ দেয়ার সময় ক্লিনিকের পাওনা হয় ১৬ হাজার টাকা। ওই টাকা পরিশোধ করার মত সামর্থ্য ছিল না শাহজাহান মিয়ার। এই অবস্থায় তিনি তার নবজাত শিশুটিকে সাদুল্লাপুর উপজেলার মনোহোরপুর গ্রামের এক নিঃসন্তান দ¤পতির কাছে বিক্রি করে দিয়ে ক্লিনিকের পাওনা পরিশোধ করেন। কিন্তু সন্তান বিক্রি করার ঘটনায় মা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। মা অসুস্থ অবস্থায় বিছানায় পড়ে থেকে শুধু বিলাপ করেন। গত শনিবার বিকেলে গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক মোঃ আবদুল মতিন বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষনিকভাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রসূণ কুমার চক্রবর্ত্তী ও এনডিসি এসএম ফয়েজ উদ্দিনকে সন্তান হারা বাবা-মার কাছে পাঠান। পরে তাদের কাছ থেকে সন্তান গ্রহণকারির পরিচয় জানতে পেরে সেখানে গিয়ে ওইদিন রাতে ওই সন্তানকে তাদের জিম্মায় নিয়ে নেন। এসময় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সন্তান গ্রহণকারি ওই ব্যক্তিকে ১৬ হাজার টাকা পরিশোধ করে দেয়া হয়। পরে সেখান থেকে জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধি দল ওই শিশুটির বাড়িতে গিয়ে মায়ের কোলে তুলে দেন। এসময় ওই পরিবারকে ২০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ২ কেজি তেল, শাড়ী, লুংগি ও নগদ ২ হাজার টাকা তুলে দেয়া হয়।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com