সোমবার, ২০ মে ২০২৪, ০২:৩৯ অপরাহ্ন

গাইবান্ধায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন জবুথবু

গাইবান্ধায় শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি ও ঘন কুয়াশায় জনজীবন জবুথবু

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধা জেলার সর্বত্র এক সপ্তাহ থেকেই হঠাৎ করেই তীব্র কুয়াশা পড়তে শুরু করে। গত চার দিন থেকে গতকাল পর্যন্ত সারাদিন কোথাও সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে থাকে গোটা গাইবান্ধা জেলা। সেইসাথে হিমেল হাওয়া বইতে থাকে। হঠাৎ করে শীত শুরু হওয়ায় মানুষ চরম বিপাকে পড়ে। রাতে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মত ঝড়েছে কুয়াশা। ফলে সকাল ১১টা ১০ মিনিটে পদ্মরাগ ট্রেন হেডলাইট জ্বালিয়ে গাইবান্ধা রেল স্টেশনে প্রবেশ করে। এছাড়া সড়কে হেড জ্বালিয়ে যানবাহনগুলোকে চলাচল করতে দেখা গেছে।
হঠাৎ শুরু হওয়া এই শীতে জেলার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে আশ্রিত এবং চরাঞ্চলের মানুষ দুর্ভোগের কবলে পড়ে। শীতে সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিশু এবং বয়স্করা এতে কষ্ট পাচ্ছে বেশি। হঠাৎ করে শৈত্য প্রবাহ শুরু হওয়ায় শিশু ও বয়স্কদের সর্দি, কাশি, কোল্ড ডায়রিয়া, শ্বাস কষ্ট, হাপানিসহ নানা রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতালগুলোতে রোগীর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এদিকে শহরের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে এখন মানুষের উপচে পড়া ভীড়। এই সুযোগে গাউন মার্কেট ও গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে ব্যবসায়িরা কাপড়ের দাম অস্বাভাবিক হারে বাড়িয়েছে। ফলে অর্থাভাবে দরিদ্র মানুষদের পক্ষে শীতের কাপড় সংগ্রহ করা খুব কষ্টকর হয়ে দাড়িয়েছে। হঠাৎ করে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় লেপ তোষক বানানোরও হিড়িক পড়েছে।
ঘন কুয়াশার কারণে ব্রহ্মপুত্র-যমুনাসহ অন্য নদ-নদীতে নৌ চলাচল বিঘিœত হচ্ছে। ফলে মূল ভূমির সাথে চরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যাহত হচ্ছে। রাতে ঘন কুয়াশার কারণে নৌ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘন কুয়াশার কারণে অনেকে দিনের বেলায় গাড়ির হেড লাইড জ্বালিয়ে চলাচল করছে। ফলে চরাঞ্চলের মানুষরা যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম বিপাকে পড়ে। ঘন কুয়াশা অব্যাহত থাকায় সরিষা গাছের ফুল ঝড়ে পড়তে শুরু করেছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com