সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধায় রেলের টিকিট দ্বিগুণ টাকায় মেলে

গাইবান্ধায় রেলের টিকিট দ্বিগুণ টাকায় মেলে

স্টাফ রিপোর্টারঃ রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেসে ঢাকার যাওয়ার অনলাইন বা ম্যানুয়াল টিকিট পাচ্ছেন না? কালোবাজারির সিন্ডিকেটের হাতে দ্বিগুণ টাকা দিলেই মিলবে কাঙ্খিত টিকিট। এই সিন্ডিকেটের মূল হোতা জসিম। তার সাথে আরও দুইজন আছেন। তারা হলেন, শরিফ ও গোপাল। এই তিনজনেরই বাড়ি বোনারপাড়ায়। গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী একাধিক ভুক্তভোগী ব্যক্তি এ অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে জানা গেছে, রংপুর এক্সপ্রেস ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেসে ঢাকার টিকিট ৪৪৫ টাকা। কাউন্টার ও অনলাইনে টিকিট নেই। অথচ বোনারপড়ার জসিম, শরিফ ও গোপালের কাছে ৮শ’ টাকা দিলেই পেয়ে যাবেন টিকিট। তাদের দোকান আছে বোনারপাড়ার রেলস্টেশনের আশেপাশেই। তারাই গাইবান্ধা থেকে ঢাকাগামী রংপুর ও লালমনিরহাট এক্সপ্রেসের টিকিট নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। তাদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন গাইবান্ধা, রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলের ট্রেনের সাধারণ যাত্রীরা।
গাইবান্ধা রেলওয়ে স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, মোট টিকিটের অর্ধেক অনলাইন ও অর্ধেক ম্যানুয়ালে বিক্রি হয়। রংপুর এক্সপ্রেসে গাইবান্ধার জন্য টিকিট রয়েছে ৬৭টি ও লালমনিরহাটে ৭১টি।
সোহেল নামে গাইবান্ধার ভুক্তভোগী এক যাত্রী অভিযোগ করেন, তিনি ও তার এক বন্ধু কয়েকদিন আগে রংপুর এক্সপ্রেসে ঢাকা যাওয়ার জন্য অনলাইন ও স্টেশনে গিয়ে কাউন্টার থেকে টিকিট পাননি। পরে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খবর পেয়ে তারা বোনারপাড়ার জসিমের শরণাপন্ন হন। তাকে ১৬শ’ টাকা দিয়ে তারা অনলাইনে দুটি টিকিট সংগ্রহ করেন।
নাগরিক সংগঠন সামাজিক সংগ্রাম পরিষদ গাইবান্ধার সদস্য সচিব মোর্শেদ হাসান দীপন বলেন, ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি করা জঘন্য অন্যায় কাজ। টিকিট কালোবাজারির কারণে সাধারণ ট্রেনযাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসনের উচিত এ বিষয়ে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
এ বিষয়ে গাইবান্ধা রেলওরয় স্টেশন মাস্টার আবুল কাশেম সরকার বলেন, অনলাইন ও ম্যানুয়ালে টিকিট কালোবাজারির বিরুদ্ধে তাদের করার কিছু নেই, এটা প্রশাসনের বিষয়।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com