বুধবার, ২৮ জুলাই ২০২১, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
গাইবান্ধায় খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যেঃ চলতি মৌসুমে ১ লাখ ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হবে রোপা আমন দোকান কর্মচারী ও ইলেকট্রিশিয়ানদের মধ্যে খাদ্য সহায়তা প্রদান অক্সিজেন কনসেনট্রেটর দিল ঢাকাস্থ গাইবান্ধা সমিতি গাইবান্ধায় বিজিবি-সেনা-পুলিশ সদস্যদের টহলঃ কঠোর লকডাউনের পঞ্চম দিনে রাস্তায় মানুষের চলাচল বৃদ্ধি গাইবান্ধায় করোনায় শনাক্ত ৬২ গাইবান্ধায় হাসান হত্যার প্রতিবাদ মঞ্চের সভা সাঘাটায় নবাগত ইউএনওর সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় ফুলছড়িতে ব্রহ্মপুত্রের ব্যাপক ভাঙনঃ নদীগর্ভে ৫৫টি পরিবারের বসতবাড়ি ফসলী জমি গাইবান্ধায় ২৫টি মামলায় ২২ হাজার ৭শ’ টাকা জরিমানা কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে রাস্তায় লোক চলাচলঃ কারো মুখে মাস্ক নেই গাইবান্ধায় করোনায় নতুন শনাক্ত ৬৯

গাইবান্ধায় বন্যার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত ॥ চরাঞ্চলে পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ ॥ নদী ভাঙনে ব্যাপকতা

গাইবান্ধায় বন্যার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত ॥ চরাঞ্চলে পানিবন্দী মানুষের দুর্ভোগ ॥ নদী ভাঙনে ব্যাপকতা

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও তিস্তার নদীর পানি কমতে শুরু করলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার চরাঞ্চলগুলোতে এখনও পানিবন্দী মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। এদিকে পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তা নদীর ভাঙন ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা ও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার কিছুটা নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়। সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক ভাঙন শুরু হয়েছে। সুন্দরগঞ্জের কাপাসিয়া, শ্রীপুর, হরিপুর, গাইবান্ধা সদরের কামারজানি, ফুলছড়ির কাতলামারি, সিংড়িয়া, কামারপাড়া এবং সাঘাটার গোবিন্দি ও হলদিয়ার বিভিন্ন গ্রামে ব্যাপক ভাঙনের ফলে গত তিনদিনে সাড়ে ৩শ’ ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে।
অপরদিকে জেলা প্রশাসন সুত্রে জানা গেছে, এবারের বন্যায় সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও সদর উপজেলার ২৬টি ইউনিয়ন বন্যা কবলিত হয়। এ বন্যায় ২৩ হাজার ৮৬৫টি ও প্রায় ৩৬ কি.মি. রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, বন্যায় জেলায় ৩ হাজার ৫৫২ হেক্টর জমির পাটসহ শাকসবজি ও বিভিন্ন ফসল নিমজ্জিত হয়েছে। এসব ফসলের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপন করা হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন দপ্তর জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ২০০ মে. টন চাল, ১ হাজার ৮শ’ প্যাকেট শুকনো খাবার ও ত্রাণ হিসেবে বন্যার্তদের মধ্যে নগদ টাকা ১৩ লাখ এবং গো-খাদ্য হিসেবে ২ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়। অপরদিকে সিভিল সার্জন সুত্রে জানা গেছে, বন্যা দুর্গত এলাকায় তাদের ৬১টি মেডিকেল টিম স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে যাচ্ছে।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com