বুধবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:৩৫ অপরাহ্ন

গাইবান্ধায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে তুলা চাষ

গাইবান্ধায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে তুলা চাষ

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধায় জনপ্রিয়তা পাচ্ছে তুলা চাষ। একসময় বাংলাদেশের তুলার বিশ্বজুড়ে খ্যাতি থাকলেও ব্রিটিশ শাসনামলে তা হারিয়ে যায়। তুলার কারণে বস্ত্র শিল্পে ঘাটতি পড়লে বিদেশ থেকে আমদানি করা হতো। তবে বর্তমানে দেশে আবার তুলা চাষ জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে কৃষকরা ব্যাপক আকারে তুলার চাষ করছেন। এছাড়াও এর চাষে লাভবান হওয়া যায় বলে কৃষকরা আগ্রহ নিয়ে এর চাষ করছেন।
বর্তমানে তুলা বাংলাদেশের দ্বিতীয় অর্থকরী ফসল, যা বস্ত্র শিল্পের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। পলাশবাড়ী ও সাদুল্লাপুর উপজেলার কিশোরগাড়ি গ্রামের কৃষকরা ব্যাপকভাবে তুলার চাষ করছেন। তারা উচ্চ ফলনশীল পালী-১ জাতের তুলা চাষ করছেন।
এই অঞ্চলের আবহাওয়া ও মাটি উর্বর হওয়ায় তুলার ফলনও বেশি পাচ্ছেন। অন্যান্য ফসলের তুলনার তুলা খরচ কম ও লাভ বেশি। তাই কৃষকরা এর চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। এখানকার উৎপাদিত তুলা স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় সরবরাহ করা হয়। চাষি জামিরুল বলেন, আমি দীর্ঘদিন যাবত তুলা চাষের সাথে যুক্ত আছি। বর্তমানে আমার ৭৩ শতাংশ জমিতে তুলার চাষ করতেছি। বিঘাপ্রতি জমিতে ৩৯০০-৪০০০টি তুলা গাছ রয়েছে। উন্নত জাতের তুলা হওয়ায় গত বছরের তুলনায় এবছর বেশি ফলন পেয়েছি। বিঘায় ১৮-২০ মণ তুলা উৎপাদন হয়েছে। আর বর্তমান বাজার মূল্য প্রতিমণ ৩৮০০ টাকা।
গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বলেন, চলতি বছর গাইবান্ধা জেলায় ১৯ হেক্টর জমিতে তুলা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের তুলনায় এখন তুলা চাষে কৃষকের আগ্রহ বাড়ছে। কৃষকরাও কম খরচে বেশি ফলন ও বাজারে বিক্রি করে লাভবান হতে পারছেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com