বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন

গাইবান্ধার পশুরহাটে পর্যাপ্ত দেশি গরু-ছাগল উঠতে শুরু করেছে

গাইবান্ধার পশুরহাটে পর্যাপ্ত দেশি গরু-ছাগল উঠতে শুরু করেছে

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধায় জমে উঠছে কোরবানির পশুরহাট। প্রচুর লোক সমাগম হয়েছে। হাটে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেশি গরু-ছাগল উঠতে শুরু করেছে। তবে বেচাকেনা কম।
জেলায় এবার ৪১ স্থানে কোরবানির পশু কেনাবেচার হাট বসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ২৬টি স্থায়ী ও ১৫টি অস্থায়ী হাট রয়েছে। এছাড়া সাতটি অনলাইন প্ল্যাটফর্মেও পশু কেনা-বেচা হচ্ছে।
জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্র জানায়, জেলায় এক লাখ ২৩ হাজার ৫১টি কোরবানি পশুর চাহিদার বিপরীতে ২২ হাজার ৩৩০টি পশু বেশি রয়েছে। যা দেশের বিভিন্ন জায়গা কোরবানি পশুর চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। জেলার ১৬ হাজার ৭৫৯ জন কৃষক ও খামারির কাছে এক লাখ ৪৫ হাজার ৩৮১টি কোরবানি যোগ্য পশু মজুত রয়েছে। এরমধ্যে গরু ৬৩ হাজার ২৪৬টি, মহিষ ১৪৭টি ও ছাগল-ভেড়া ৮১ হাজার ৯৮৮টি। কোরবানি পশুর হাটগুলোতে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য কাজ করছে ২১টি মেডিকেল টিম।
সরেজমিনে গাইবান্ধা সদর উপজেলার দারিয়াপুর, লক্ষীপুর, সাঘাটার ভরতখালী, পলাশবাড়ী মাঠেরহাট, সাদুল্লাপুরের ধাপেরহাট, পলাশবাড়ীর কালীবাড়ীহাট, ফুলছড়িরহাট, গোবিন্দগঞ্জের নাকাইহাটসহ পশুরহাটগুলি ঘুরে দেখা গেছে, জেলার বিভিন্ন চর এলাকাসহ পাশের কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী, রাজিবপুরসহ গাইবান্ধার বিভিন্ন জায়গা থেকে ট্রাক, নসিমন, ভটভটিসহ নানা রকম যানবাহনে হাটে কোরবানির পশু নিয়ে আসছেন ব্যবসায়ীরা। হাটে আগত গরুর বেশির ভাগই দেশি। হাটে দেশি পশু দিয়ে ভরে গেছে।
পশু বিক্রেতারা বলছেন, হাটে ক্রেতারা আসছেন। কিন্তু দাম জিজ্ঞাসা করেই তারা চলে যাচ্ছেন। এ বছর ক্রেতাদের অনেকে বাজারে পশুর দরদাম যাচাই করে দেখছেন। আবার অনেকে পশু কিনতে হাটে এসেছেন। তবে অনেকে কিনছেন।
এবার অধিকাংশ ক্রেতা খুঁজছেন মাঝারি আকারের গরু। হাটে আসা এসব গরু ৮০ থেকে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা দাম হাঁকা হচ্ছে। তবে পশুরহাটে এবার ভারতীয় গরু না থাকায় দেশি গরুর চাহিদা ও দামও কিছুটা বেড়েছে। ক্রেতারা দাম বাড়ার কথা বললেও ভিন্ন কথা বলছে পশু বিক্রেতারা।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com