বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০২৪, ১১:১২ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
খোর্দ্দকোমরপুর ইউপির উপনির্বাচন স্থগিত কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিঃ গাইবান্ধায় আ’লীগ-বিএনপির অফিসে-হামলা-অগ্নিসংযোগ সুন্দরগঞ্জে কোটা নিয়ে মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সুন্দরগঞ্জে নিখোঁজ যুবকের লাশ একদিন পর উদ্ধার গোবিন্দগঞ্জে ২ মাহিলা ছিনতাইকারী গ্রেফতার মহিমাগঞ্জে প্রধান গ্রুপের সার্ভার স্টেশনে অগ্নিকান্ডে ৫০ লক্ষ টাকার ক্ষতি পলাশবাড়ীতে মোটরসাইকেল সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ২ঃ আহত ১ জন গোবিন্দগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালেয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে ফলজ বৃক্ষের চারা বিতরণ তিস্তার পানি কমার সাথে সাথে পাল্লা দিয়ে ভাঙন শুরু হয়েছে পলাশবাড়ীতে মটরসাইকেলের ধাক্কায় যুবক নিহত

কর্মসৃজন প্রকল্পের ২০ হাজার শ্রমিক কাজ শেষ করে মজুরী পাননি

কর্মসৃজন প্রকল্পের ২০ হাজার শ্রমিক কাজ শেষ করে মজুরী পাননি

স্টাফ রিপোর্টারঃ গাইবান্ধায় কাজ শেষেও মজুরি পাচ্ছেন না দরিদ্রদের জন্য কর্মসৃজন কর্মসূচির শ্রমিকরা। বিধি অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে তাদের মজুরি পাওয়ার কথা। কিন্তু ৪০ দিনের কর্মসূচির কাজ শেষ হলেও এখনো টাকা পাননি তারা। এতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিপাকে পড়েছেন শ্রমিকরা। জেলার সাত উপজেলায় এ কর্মসূচির আওতায় ২০ হাজার ৩৮৫ জন শ্রমিক মাটি কাটার কাজ করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, হতদরিদ্রদের জন্য সরকার কর্মসৃজন কর্মসূচির আওতায় ৪০ দিনের মাটি কাটার প্রকল্প গ্রহণ করে। প্রকল্প শুরু হয় গতবছরের নভেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে। শেষ হয় চলতি বছরের জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে। এ প্রকল্পের আওতায় গাইবান্ধা সদরে হতদরিদ্র তিন হাজার ৫৩১, সুন্দরগঞ্জে চার হাজার ৩৪২, সাদুল্লাপুরে দুই হাজার ৫০৫, পলাশবাড়ীতে এক হাজার ৮৬৩, গোবিন্দগঞ্জে চার হাজার ৫৩, সাঘাটায় দুই হাজার ৪৬৬ ও ফুলছড়িতে এক হাজার ৬২৫ জন শ্রমিক মাটি কাটার কাজ করেন। বিধি অনুযায়ী দৈনিক কাজের বিনিময়ে সাধারণ শ্রমিক ৪০০ টাকা ও দলনেতারা পাবেন ৪৫০ টাকা।
জেলার সাত উপজেলার অন্তত ৪০ জন কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকের সঙ্গে কথা হয় । তারা জানান, কর্মসৃজন প্রকল্পে যারা কাজ করেছেন, প্রত্যেকেই দিন এনে দিন খান। তাদের কোনো সঞ্চয় নেই। দীর্ঘদিন ধরে টাকা না পাওয়ায় ধার-দেনা ও দোকানে বাকিতে সংসার চালাচ্ছেন তারা। ৪০ দিনের কাজ শেষে টাকা না পাওয়ায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তারা বলছেন, আগে তাদের মাধ্যমে ব্যাংকে সাতদিন পরপর টাকা দেওয়া হতো। কিন্তু এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের ইএফটির মাধ্যমে শ্রমিকের মোবাইলে টাকা দেয় মন্ত্রণালয়। এতে তাদের করার কিছু নেই। শ্রমিকরা কবে টাকা পাবেন তা ঠিক বলতে পারছেন না তারা। তবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বেলকা ইউনিয়নের কর্মসৃজন কর্মসূচির শ্রমিক তালুক বেলকা গ্রামের বাদশা মিয়া। তিনি বলেন, হামার কাম নাই। এজন্যই তো সরকার মাটি কাটার কাজ দিছে। এবারকার সেই কাজ শেষও হইছে। কিন্তু এলাও (এখনো) ট্যাকা পাইনো না। চেয়ারম্যান-মেম্বাররা কেউ কবারে পায় না হামরা কোনদিন ট্যাকা (টাকা) পামো। ধার-দেনা করি আর কদ্দিন চলি। খুব কষ্টত আছি।
জানতে চাইলে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ওয়ালিফ ম-ল বলেন, আমরা বিল করে অধিদপ্তরে পাঠাই। সেখান থেকে মন্ত্রণালয় হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ইএফটিয়ের মাধ্যমে শ্রমিকদের মোবাইল ব্যাংকিংয়ে টাকা পাঠানো হয়। তবে শুধু আমার উপজেলা নয়, গাইবান্ধার কোনো উপজেলার শ্রমিকরাই টাকা পাননি।
ফুলছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ শহিদুজ্জামান বলেন, কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের বিল অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে। আশা করছি খুব শিগগির শ্রমিকরা টাকা পাবেন।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com