বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪, ০৭:৫৮ পূর্বাহ্ন

করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত লক ডাউনেও থেমে নেই অপকর্মঃ ভেড়ামারা রেল ব্রীজের পাশে ঘাঘট নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত লক ডাউনেও থেমে নেই অপকর্মঃ ভেড়ামারা রেল ব্রীজের পাশে ঘাঘট নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন

স্টাফ রিপোর্টারঃ করোনা ভাইরাস সংক্রান্ত লক ডাউনেও থেমে নেই বালুদস্যুদের অপকর্ম। গাইবান্ধা সদর উপজেলার খোলাহাটি ইউনিয়নের কিশামত বালুয়া এলাকার গুরুত্বপূর্ণ ভেড়ামারা রেলওয়ে ব্রীজ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ সংলগ্ন ঘাঘট নদীতে স্থানীয় জনৈক প্রভাবশালী দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে শ্যালো মেশিন বসিয়ে বালু উত্তোলন করে পুকুর ভরাট করছে ও বালু বিক্রি করে আসছে। ফলে একদিকে যেমন ভেড়ামারা রেল ব্রীজটি হুমকির মুখে পড়েছে তেমনি পার্শ্ববর্তী বন্যা বাঁধটিও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। লক ডাউন চলাকালিন বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবারেও থেমে এই অবৈধ বালু উত্তোলনের কারবার।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন এলাকাবাসি জানান, কিশামত বালুয়া গ্রামের প্রভাবশালী সাগর মিয়া, জিয়াউর রহমান ও সাজেদুল ইসলাম প্রশাসনের অনুমোদন ছাড়াই এবং সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে বালু উত্তোলনের কোন ডিসিআর না কেটেই ঘাঘট নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে রফিকুল ইসলাম রফিকের পুকুর ভরাট ও অবাধে বালু ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে ওই এলাকাটি অনেকটা দেবে গিয়ে ইতোমধ্যে তা পার্শ্ববর্তী ভেড়ামারা রেল ব্রীজ ও বেঁরি বাঁধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, এই বালু খেকর চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঘাঘট নদীর বিভিন্ন জায়গা থেকে বালু উত্তোলন করে এই অবৈধ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে।
এব্যাপারে স্থানীয়রা উপজেলা প্রশাসন ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) কে বালু উত্তোলন বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানালেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। এদিকে ভেড়ামারা ব্রীজ সংলগ্ন মোল¬¬া বাজারের এক বাসিন্দা জানান, এইসব ব্যক্তিরা দীর্ঘদিন ধরে বালু উত্তোলন করে পুকুর ভরাট, বসতবাড়ির জায়গা ভরাট ও বালু স্তুপ করে রেখে অবাধে বালু বিক্রির ব্যবসা করে আসছে।

Thank you for reading this post, don't forget to subscribe!

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com