শনিবার, ১৯ জুন ২০২১, ০৪:৩১ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম
ধাপেরহাটে জন্ম নিবন্ধন নিয়ে যত জ্বালা হয়রানীর শেষ নেই ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল রামচন্দ্রপুরে মাদকাসক্ত যুবকের ছুরিকাঘাতে নিহত ১ আহত ২ গাইবান্ধায় ১১ জন করোনা রোগী শনাক্ত  ভেজাল চিটাগুর তৈরির অপরাধে ১০হাজার টাকা জরিমানা সাঘাটায় ডেপুটি স্পীকারের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সাদুল্লাপুরে কর্মশালা অনুষ্ঠিত চারলেন সড়ক নির্মান কাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগঃ এলাকাবাসীর তোপের মুখে বন্ধ হলো গোলচত্বর নির্মাণ কাজ গৃহ প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় গাইবান্ধায় উপজেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির দ্বি মাসিক সভা

পলাশবাড়ীর তেকানী সরঃ প্রাথঃ বিদ্যালয়ের বরাদ্দের টাকা খরচ না করায় জনমনে প্রশ্ন

পলাশবাড়ীর তেকানী সরঃ প্রাথঃ বিদ্যালয়ের বরাদ্দের টাকা খরচ না করায় জনমনে প্রশ্ন

পলাশবাড়ী প্রতিনিধিঃ পলাশবাড়ীর তেকানী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বরাদ্দের টাকা খরচ না করায় জনমনে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সরেজমিনে গিয়ে প্রধান শিক্ষক সুত্রে জানা যায়, চলতি বছর ওই বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণী ১০ হাজার টাকা, রুটিন মেরামত বাবদ ৩৭ হাজার টাকা এবং ক্ষুদ্র মেরামত বাবদ ১লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা বরাদ্দ পায়। তার মধ্যে ইতিপূর্বে শুধু জানালা ও দরজায় রং করা হয়েছে। বাকী টাকা গেল কোথায় জনগনের মাঝে প্রশ্ন উঠেছে। এ ব্যাপারে গতকাল শনিবার দুপুরে বিদ্যালয়ে গিয়ে প্রধান শিক্ষকসহ ৩ জন শিক্ষক পাওয়া যায়। তবে কোন ছাত্রছাত্রী স্কুলে পাওয়া যায়নি। হাজিরা খাতা অনুযায়ী বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী সংখ্যা ৫৫ জন। তাদের সকলের উপবৃত্তির টাকা পেয়ে থাকেন। বরাদ্দের ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, শিশু শ্রেণীর বরাদ্দ পেয়েছি ১০ হাজার টাকা। তার মালামাল ক্রয় করা হয়েছে। তা আমার বাসায় আছে। রুটিন মেরামতের ৩৭ হাজার এবং ক্ষুদ্র মেরামতের ১লক্ষ ৩৮ হাজার টাকা জমা রয়েছে। রুটিন মেরামতের কাজ এক বছর সময় আছে। যখন প্রয়োজন হবে তখন করে নেব। বিদ্যালয় থেকে প্রধান শিক্ষকের বাড়ী প্রায় ১২ কিঃমিঃ দুরে। শিশু শ্রেণীর মালামাল বিদ্যালয়ে না রেখে নিজ বাড়ীতে রাখা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি সমশের আলীর সাথে বিদ্যালয়ের বরদ্দের ব্যাপারে কথা বললে তিনি বলেন, কোন কোন বরাদ্দ এসেছে তা আমাকে আজও জানানো হয় নাই। যখন ওনাদের সইয়ের দরকার পড়ে তখন এসে আমার কাছ থেকে সই নিয়ে যায়। কি কারণ সই নেওয়া হয় তাও আমাকে বলা হয় না। সংশ্লিস্ট সহকারী শিক্ষা অফিসার ইমরানের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, বরাদ্দের টাকা এক মাসের মধ্যেই কাজ করার কথা। কেন কাজ করেননি বিষয়টি দেখা হবে। এলাকাবাসীর মতে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে।

নিউজটি শেয়ান করুন

© All Rights Reserved © 2019
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com